


নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ভিনরাজ্যে গা ঢাকা দিয়েও শেষ রক্ষা হল না। মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় আটক করা হল আরও ১৫ দুষ্কৃতীকে। তাদের মধ্যে অভিযুক্তদের মধ্যে জাফরাবাদে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে খুনের ঘটনায় জড়িত দু’জনও রয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে। বাবা ও ছেলেকে খুনের ঘটনায় আগেই জিয়াউল হক সহ চারজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছিল। তাকে জেরা করে পুলিস তার দুই ছেলের যোগ পায়। তারা কোথায় গা ঢাকা দিয়েছে, তা জানতে পেরেই ওড়িশায় হানা দেয় এসটিএফের একটি দল। সেখান থেকে জিয়াউলের দুই ছেলেকে পুলিস আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সামশেরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে পুলিস জানিয়েছে। যদিও এসটিএফ আধিকারিকরা সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এবিষয়ে কোনও মুখ খোলেননি। জেলা পুলিসের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, আরও কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে তাদের পরিচয় জানানো হবে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজের জন্য মুর্শিদাবাদ থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা ওড়িশার ঝাড়সুগুড়ায় যায়। তারা ঈদের সময় নিজের বাড়ি সামশেরগঞ্জ ফিরেছিল। হিংসার ঘটনার পর তারা ওড়িশায় পালিয়ে যায়। তদন্তে পুলিস জানতে পারে, মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় তারা জড়িত। সূত্রের খবর, জাফরাবাদে বাবা ও ছেলেকে খুনের ষড়যন্ত্র করেছিল জিয়াউল। সে এলাকায় টোটো চালায়। ওইদিনের হামলায় সে উস্কানি দিয়েছিল। তার দুই ছেলেকেও এবার আটক করা হল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্য অভিযুক্তদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো যাবে বলে মনে করছেন সিটের সদস্যরা।