


নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআর-এর কাজ প্রায় শেষ পর্বে। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ফর্ম দেওয়া যায়নি ৬৮ হাজারের বেশি ভোটারকে। কারণ বিএলওরা তাঁদের বাড়ি গিয়ে কাউকে পাননি। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিএলওদের দাবি, বহু ভোটারের বাড়ি একাধিকবার গিয়েও মেলেনি খোঁজ। কসবা, টালিগঞ্জ ও বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে খোঁজ না পাওয়া ভোটারের সংখ্যা বেশি।
এদিকে জেলার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের এসআইআরের কাজ কেমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার বৈঠক করলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সি মুরুগান। বৃহস্পতিবার কাকদ্বীপ মহকুমা এবং পরে আলিপুরে বিভিন্ন বিধানসভার ইআরও’দের নিয়ে এই কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ খবর করেন তিনি। সূত্রের খবর, কাকদ্বীপে এদিন বৈঠকে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা পর্যবেক্ষকের সামনে একটি অভিযোগ জানিয়েছেন। সেটা হল, কাকদ্বীপ এবং নামখানায় একাধিক ভোটার অন্য কাউকে বাবা হিসেবে দেখিয়ে নাম তুলেছেন ভোটার তালিকায়। বিষয়টি ভেরিফাই করে দেখার কথা বলেন পর্যবেক্ষক। জেলা সূত্রে খবর, ডিজিটাইজেশনের কাজে শহরের একাধিক বিধানসভা যেমন বেহালা পূর্ব, পশ্চিম, কসবা, টালিগঞ্জ এখনও অনেকটাই পিছিয়ে আছে বাকিদের তুলনায়। নির্ভুলভাবে যাতে সমস্ত কাজ হয় সে ব্যাপারে সবাইকে আবারও সতর্ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার বারাসত ১ বিডিও অফিসে এসআইআর বৈঠকে ছিলেন স্পেশাল অবজার্ভার রণধীর কুমার, বারাসতের এসডিও সোমা দাস, বিডিও রাজীব দত্ত চৌধুরী প্রমুখ। ব্লকের মৃত ভোটার, নিখোঁজ ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটার সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েই বারাসত ১ নম্বর ব্লক পরিদর্শনে আসেন এসআইআরের স্পেশাল অবজার্ভার রণধীর কুমার। উল্লেখ্য, এই ব্লকে ২৬ হাজার ৬১২টি সংশোধনের আবেদন এসেছে। এর মধ্যে মৃত ভোটার ১০ হাজার ৬৬৪ জন। স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৩৩ জন। নিখোঁজ ভোটার রয়েছে ৯ হাজার ৯৬৩ জন। এদিন সেই তথ্য নিয়ে বৈঠক করেন স্পেশাল অবজার্ভার। বারাসতে চলছে এসআইআরের কাজ। -নিজস্ব চিত্র