


মুম্বই: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের শেষ লেনদেনের দিনেও কাঁপুনি শেয়ার বাজারে। সোমবার ফের বড়োসড়ো ধস সূচকের। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দর ২.১৮ শতাংশ লাফ দিয়ে ব্যারেল প্রতি ১১৫.১ ডলারে পৌঁছেছে। পাল্লা দিয়ে দামের রেকর্ড পতনে কার্যত আইসিইউতে টাকা। ফলে আমদানি খরচ বিপুল বৃদ্ধির হাত ধরে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দানা বাধছে। তারই প্রভাব পড়ছে শেয়ার বাজারে। সোমবার প্রায় ২ শতাংশের বেশি নামল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নিফটি। ভারতীয় মুদ্রার দরও এদিন ডলারের নিরিখে ৯৫ টাকার গণ্ডিও ছপিয়ে যায়। পরে অবশ্য কমে হয় ৯৪.৭৮ টাকা। আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়সা বেশি।
যুদ্ধের জেরে এশিয়ার বেশিরভাগ শেয়ার বাজারেই লাল সংকেত। সেইসঙ্গে বিদেশি লগ্নি সরিয়ে নেওয়ার ধারা অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহ শুরুর দিনে সেনসেক্স ২.২২ শতাংশ বা ১,৬৩৫.৬৭ পয়েন্ট গোত্তা খায়। দিনের শেষে ৭১,৯৪৭.৫৫ পয়েন্টে পতন থামে। নিফটিও ২.১৪ শতাংশ বা ৪৮৮.২০ অঙ্ক কমে দাঁড়িয়েছে ২২,৩৩১.৪০ পয়েন্টে। এর আগে শুক্রবারও ধস নেমেছিল সূচকে। দু’টি সেশন মিলিয়ে উবে গেল লগ্নিকারীদের ১৮.৬০ লক্ষ কোটি টাকা।
এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির হার ছিল ৫.২ শতাংশ। নেপথ্যে রয়েছে কারখানায় পণ্য উৎপাদনে উন্নতি। সোমবার ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্স অফিস (এনএসও)-র প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য জানা গিয়েছে।