


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কোভিড তৈরি করেছে আতঙ্ক। একইসঙ্গে দিয়েছে শিক্ষাও। এমনটাই মত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। তাই ভবিষ্যতে মহামারী আটকাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। রোগের জীবাণু চিহ্নিত করতে গবেষণাগারের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। একইভাবে রাজ্যগুলির সঙ্গে আরও সমন্বয় বাড়াতে মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুতি না থাকলেও সেই সময়ে কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ড, কর্বভ্যাক্সের মতো ভ্যাকসিন তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে সাফল্যও মিলেছে। সেই ধারা বজায় রেখে দেশে ২৩টি বিএসএল-থ্রি এবং বিএসএল-ফোর মানের গবেষণাগারের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। যা নতুন এবং পরিবর্তনশীল জীবাণু শনাক্ত করার কাজ করবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, রোগের জীবাণুর চরিত্র কতটা বদলাচ্ছে, তা কতটা ক্ষতিকর, মহামারীর আকার নিতে পারে কি না, এই সমস্ত বিষয় নিয়েই গবেষণায় জোর দেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত জায়গায় গোরু, মোষ কাটা হয় (স্লটারহাউস), সেগুলির পাশাপাশি চিড়িয়াখানা, পোলট্রি, পাখিরালয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে বলেও ঠিক করা হয়েছে। শহরাঞ্চলে যেখানে বর্জ্য জমে থাকে বা জলে বর্জ্য পদার্থ আটকে থাকে, সেখানে কোনও সংক্রামক জীবাণুর জন্ম হচ্ছে কি না, তা নিয়েও নজরদারি বাড়ানো হবে। মানুষের সঙ্গে পশুপাখির ঘনিষ্ঠতার উপরও বিশেষ সমীক্ষায় জোর দেওয়া হবে। সেই পশুপাখির থেকে কোনও জীবাণু মানুষের শরীরে সংক্রামিত হচ্ছে কি না, তাও দেখা হবে। সরকারের একটাই লক্ষ্য, ভবিষ্যতে আর
যাতে কোভিডের মতো কোনও মহামারী না হয়।