


সংবাদদাতা, বারুইপুর: সপ্তাহে রোজ আসার কথা কিন্তু আসেন না। মাস গেলে বেআইনিভাবে টাকা দাবি করেন। তার উপর পালা-পার্বণে বখশিস তো আছেই। দাবি মতো টাকা না দিলে দুর্ব্যবহার করেন। জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে এই অভিযোগ লাগাতার উঠছে সাফাইকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে পুরসভার চেয়ারম্যান সুকুমার হালদার বলেন, ‘বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করার জন্য মাসে টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। কারা নেন তা খোঁজ করে দেখা হবে। বাড়ি থেকে আবর্জনা সপ্তাহে দুই বা তিনদিন নেওয়া হয় কারণ লোকবলের অভাব।’ জয়নগর-মজিলপুর পুরসভায় রয়েছে ১৪টি ওয়ার্ড। এর মধ্যে অধিকাংশ জায়গাতেই বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করার জন্য মাসে ৩০ বা ২০ টাকা করে নেন সাফাইকর্মীরা বলে অভিযোগ। পুর নাগরিকরা বলেন, ‘কোনও নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার অঙ্ক নেই। যে যাঁর মত টাকা নেন। কোনও রশিদ দেন না। টাকা না দিলে খারাপ ব্যবহার করেন সাফাইকর্মীরা। আট নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, ‘নিয়মিত আবর্জনা সংগ্রহ করেন না বলে দুর্গন্ধ ছড়ায়। সপ্তাহে দু’দিন আবর্জনা নেন বাড়ি থেকে। মাসে ৩০ টাকা করে নেন আমাদের থেকে।’ নয় নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, ‘সাফাইকর্মীরা মাসে ২০ টাকা নেন আবর্জনা নেওয়ার জন্য। কিন্তু কোনও রশিদ দেন না।’ অন্যদিকে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের ওয়ার্ডে সাফাইকর্মীরা মাসে কোনও টাকা নেন না। নিয়মিত আবর্জনাও নেন না।’ একই কথা এক নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দার। তিনি বলেন, ‘আমাদের ওয়ার্ডেও কোনও টাকা নেন না সাফাইকর্মীরা।’ তবে পুর নাগরিকদের প্রশ্ন, ‘অধিকাংশ ওয়ার্ডে টাকা নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যবস্থা কেন চলবে?’ পুরসভার নজরদারির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নাগরিকরা।