


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা কাকদ্বীপ: আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি কার্যত শুরু হয়ে গেল। ড্রেজিং, সাগর সৈকতের হাল ফেরানো, পরিবহণ প্রভৃতি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হল বুধবারের প্রথম প্রস্তুতি বৈঠকে। নভেম্বর থেকে যাতে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিং শুরু করা যায়, তার চেষ্টা করা হবে। সেচদপ্তরকে সেরকমই নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ডিসেম্বরের ২০ তারিখের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য এক প্রকার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে মেলার দিনগুলিতে নদীতে ভাটার সময় জলের মাত্রা খুব বেশি নামবে না বলে জেনেছে প্রশাসন। বরং আগেরবারের তুলনায় সামান্য বেশি থাকবে। গতবারের মেলায় জলস্তর সর্বনিম্ন ০.৯৩ মিটার ছিল। এবারে সেটা ১.২৩ মিটার থাকার কথা। আধিকারিকরা আশা করছেন, ড্রেজিং ভালো হলে ভাটার সময় কোনও ভেসেল আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
এদিকে, গঙ্গাসাগরের ১ ও ২ নম্বর সি-বিচে স্থায়ী বাঁধ করা যায় কি না, সেটা সেচদপ্তরকে দেখতে বলা হয়েছে। প্রশ্ন হল, এবারও কি দু’নম্বর সি-বিচ বন্ধ থাকবে? এর উত্তর অবশ্য এদিনের বৈঠকে মেলেনি। এছাড়াও গতবারের থেকে এবারে বার্জের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। প্রস্তুতি বৈঠক শেষে জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, আগেরবার মেলায় ড্রেজিং সহ বিভিন্ন কাজ ভালো হয়েছিল। এবারও যাতে একইভাবে কাজ হয় সেই প্রত্যাশা থাকবে। সাগরের ১ ও ২ বিচে যে ভাঙন হয়েছে, সেটা মোকাবিলা করতে সেচদপ্তর পরিকল্পনা তৈরি করছে। সেই মতো কাজ করবে তারা। ড্রেজিংয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রস্তুতি শুরু করেছে। -নিজস্ব চিত্র