


নয়াদিল্লি (পিটিআই): ২০১৯ সালের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করা দুই শতাধিক আবেদন নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি শুরু আগামী ৫ মে। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এক্ষেত্রে মূল আবেদনটি করেছিল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন অব মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য আবেদনকারীর তালিকায় রয়েছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ, আরজেডির মনোজ ঝা, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং এআইএমআইএম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা মূলত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন ও পার্সি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের সংস্থান করা হয়েছে। এই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করা আবেদনগুলি ২০১৯-২০ সাল থেকে শীর্ষ আদালতে পড়ে রয়েছে। এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পাঞ্চোলিকে নিয়ে গড়া বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানির প্রক্রিয়াগত নির্দেশিকা জারি করেছে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, আইইউএমএল সহ আবেদনকারীদের বক্তব্য শোনার জন্য দেড় দিন ধার্য থাকবে। কেন্দ্রের বক্তব্য শোনার জন্য থাকবে একটা গোটা দিন। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, আবেদনগুলি নিয়ে শুনানির সামগ্রিক পর্ব শেষ করা হবে আগামী ১২ মে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সব পক্ষকে অতিরিক্ত তথ্য ও বক্তব্য পেশ করতে হবে। সিএএ সংক্রান্ত সর্বভারতীয় আবেদনগুলি প্রথমে শোনা হবে। তারপর শোনা হবে অসম ও ত্রিপুরা সংক্রান্ত আবেদনগুলি। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, অসমের সমস্যা বাকি দেশের থেকে আলাদা। কারণ সেখানে পূর্বে নাগরিকত্বের ‘কাট-অফ’ তারিখ ছিল ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ। সিএএ-র অধীনে সেটাই পরে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।