


দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: ইপিএফ-এর মাসে ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রকে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের মে মাসে অর্থমন্ত্রক তা খারিজ করে দিয়েছে। মাসে ইপিএফের ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি নিয়ে শ্রম সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রবল তোপের মুখে একথা জানিয়েছে শ্রমমন্ত্রক। অর্থাৎ, এমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরাসরি বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কোর্টেই। একইসঙ্গে শ্রমমন্ত্রক এও জানিয়েছে, ফের একই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সংসদে রিপোর্ট পেশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সেই রিপোর্টেই শ্রমমন্ত্রকের জবাবের উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এদিনের রিপোর্টেও মাসে ইপিএফের ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধি নিয়ে বিজেপি সাংসদ বাসবরাজ বোম্মাইয়ের নেতৃত্বাধীন কমিটি শ্রমমন্ত্রককে তুলোধোনা করেছে। স্পষ্ট বলা হয়েছে, এব্যাপারে বিন্দুমাত্র সচেতন হচ্ছে না মন্ত্রক। বরং ‘ক্যাজুয়াল অ্যাপ্রোচ’ গ্রহণ করা হচ্ছে।
কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রমমন্ত্রক তার জবাবে জানিয়েছে ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রের বর্তমান সরকারই প্রথম ইপিএস, ১৯৯৫ স্কিমে মাসে ন্যূনতম এক হাজার টাকা পেনশন প্রদানের ব্যবস্থা চালু করে। এর পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রকের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। কিন্তু ২০২৩ সালের মে মাসে তা খারিজ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রাক-বাজেট বৈঠকেই অর্থমন্ত্রকের কাছে মাসে ইপিএফের ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব জমা দিয়েছে শ্রমমন্ত্রক। স্থায়ী কমিটিকে দেওয়া জবাবে মন্ত্রক জানিয়েছে, পেনশনের পরিমাণ সংশোধনের সুপারিশ ফের অর্থমন্ত্রকের কাছে করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটি তার রিপোর্টে জানিয়েছে, যেসব ইপিএফ সদস্য মাসে এক হাজার টাকারও কম পেনশন পান, তাঁদের ওই ন্যূনতম পরিমাণ অর্থ দিতে বর্তমান কেন্দ্র সরকার বাকি টাকা দেবে। ২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে। কিন্তু কমিটি বারবারই বলেছে, মাসে ইপিএফের ন্যূনতম পেনশনের যা পরিমাণ, তা সম্মানজনক জীবনধারণের পক্ষে উপযুক্ত নয়। কমিটি জানিয়েছে, ২০২০ সালে এর পরিমাণ মাসে এক হাজার থেকে দু’হাজার টাকা করতে অর্থমন্ত্রকের কাছে প্রস্তাব জমা পড়েছিল। যদিও তা মান্যতা পায়নি।