


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানার পরপরই হুগলিতে গ্রেফতার হওয়া পাকিস্তানি মহিলার জামিনের আবেদন নাকচ করল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ছিল বছর ষাঠের পাকিস্তানি নাগরিক ফতেমা বিবির আবেদনের শুনানি।
ফতেমা বিবি গত ৪৫ বছর ধরে চন্দননগর কুঠির মাঠ এলাকায় থাকেন। তাঁর স্বামী-সন্তানও এ দেশে রয়েছেন। এদিন মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, ফতেমার জন্ম এদেশে। তিন বছর বয়সে তিনি বাবার সঙ্গে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে চলে গিয়েছিলেন। এরপর ১৯৮০ সালে পর্যটন ভিসা নিয়ে বাবার সঙ্গে ভারতে এসেছিলেন ফতেমা। তখন তাঁর বয়স ১৫। এরপর ১৯৮২ সালে মুজফ্ফর মল্লিক নামে চন্দননগরের এক বেকারি মালিকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দম্পতির দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। যদিও পুলিশের খাতায় ভিসা নিয়ে ভারতে আসার এক বছর পরেই নিখোঁজ ছিলেন ফতেমা। তবে তাঁর আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেল নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। সেই আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ। তাঁকে হাউস অ্যারেস্ট করে রাখা হোক। কিন্তু এই আবেদনে মান্যতা দেননি বিচারপতি সিনহা। তবে কেন্দ্রকে দ্রুত ওই আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সেইসঙ্গে জেলে তাঁর সুচিকিৎসার বন্দোবস্তেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।