


শ্রীময়ী চট্টরাজ: তৃতীয় ব্যক্তি কোনও সম্পর্ক ভাঙার জন্য দায়ী হতে পারে না। এটা আমি বিশ্বাস করি। যদিও আমাকে ‘হোম ব্রেকার’ বলা হয়েছিল। আমার মনে হয় আজ আমি আর আমার স্বামী কাঞ্চন (মল্লিক) খুব সুন্দর করে শুরু করেছি। কিন্তু ১০-১৫ বছর পর হতেই পারে সম্পর্কটা আর স্বাস্থ্যকর নেই। হতে পারে ওর বা আমার জীবনে কেউ একজন এসেছে। কিন্তু আমি তাকে কখনও ‘স্কেপগোট’ করব না। তার জন্য আমাদের সম্পর্ক ভাঙনের মুখে, তা কিন্তু নয়। সম্পর্কের বাঁধন আগেই আলগা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোথায় সমস্যা তা নিয়ে কথা বলা দরকার। আর আমি যদি একটা দিনও তার জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো সময় কাটিয়ে থাকি, তাহলে তার অনুভূতিকে সম্মান দেব। সে যদি অন্য সম্পর্ক নিয়ে ভালো থাকে, তার ভালোলাগাটা সবসময় প্রায়োরিটি দেব। তাহলেই তো তাকে সম্মান করা হবে। কখনও সম্পর্ককে টেনে রাস্তায় নামাব না।
আমাদের সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি এলে তাকে দোষারোপ করব না। কারণ আমাদের সম্পর্কের ভিত শক্ত নেই বলেই সে এসেছে। এ তো আমাদের গাফিলতি। তার তো দোষ নেই। এক হাতে কখনও তালি বাজে না। আমি বিবাহিত কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে ১০টা বছর ছিলাম। কখনও ডিমান্ডিং ছিলাম না। আমি চেয়েছিলাম ও নিজের পরিবার নিয়ে খুশি থাকুক। যদি খুব ‘টক্সিক’ সম্পর্ক হয়ে যায়, তা থেকে বেরিয়ে নতুন করে বাঁচুন। জীবনকে যাপন করতে হবে। একটা সই করে ফেলেছি বলে সম্পর্ক টেনে নিয়ে যেতে হবে, তার কোনও মানে নেই। অন্য মহিলা বা পুরুষকে কখনও দোষারোপ করব না। এটা আমার সন্তানকেও শেখাব। আমাদের মধ্যে যাই হয়ে যাক না কেন, তোমার কাছে তোমার বাবার গুরুত্ব যতটা, মায়ের গুরুত্বও ততটা। কেউ কখনও অঙ্ক কষে প্রেমে পড়ে না। আমি কাঞ্চনকে বিয়ে করব কখনও ভাবিনি। যদি সত্যিই কোনও তৃতীয় ব্যক্তি আমাদের সম্পর্কের মাঝে এসে পড়ে কখনও, ওর সঙ্গে আলোচনা করব।