


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনই দেশজুড়ে সমস্ত নির্বাচনের ক্ষেত্রে রোল মডেল হতে চলেছে। ওয়েবকাস্টিং নিয়ে কালীগঞ্জ বিধানসভার জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই ধারা বজায় থাকবে দেশজুড়ে সমস্ত নির্বাচনের ক্ষেত্রে। এমনটাই খবর। এবারই প্রথম নির্বাচনের সময় শুধু বুথের ভিতরেই নয়, তার বাইরেও নজরদারি রাখতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের এই ঘটনা রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসেই প্রথম।
এবার ১০০ শতাংশ বুথেই হবে ওয়েবকাস্টিং। নজরদারির লক্ষ্যে রাজ্য, জেলা এবং বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক কন্ট্রোল রুম রাখা হবে। বুথের ভিতরের নজরদারিতে ওয়েবকাস্টিংকে গুরুত্ব দিতেই নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ। প্রতিটি স্তরে নজরদারিতে থাকবেন একজন করে নোডাল অফিসার। ভোটে কারচুপি রুখতে ওয়েবকাস্টিং সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রকাশ করে এই কথা জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।
দেশের সর্বত্র সমস্ত নির্বাচনের ক্ষেত্রে এইভাবে ওয়েবকাস্টিং করতে হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যে-সমস্ত জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হবে সেখানে যথাযথ পরিমাণে ভিডিওগ্রাফি এবং ফটোগ্রাফি রাখা হবে। ওয়েবকাস্টিংয়ের উপর নজরদারি রাখতে রাজ্য এবং জেলা স্তরে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিয়োগ করা হবে একজন নোডাল অফিসার। তাঁদের দায়িত্ব হবে সমস্ত জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ওয়েবকাস্টিং পরিচালনা এবং দু’দিন আগে থেকে ‘ড্রাই রান’ করা। প্রতিটি বুথের ভিতর চারজনের বেশি কেউ থাকতে পারবেন না। এছাড়াও একাধিক পদক্ষেপ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)।