


সংবাদদাতা, বারুইপুর: লোডশেডিং আর লো-ভোল্টেজের সমস্যায় জেরবার সুন্দরবনের মৈপীঠের গুড়গুড়িয়া ভুবনেশ্বরী ও বৈকুণ্ঠপুর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা পরীক্ষার্থীরা। এলাকার সাধারণ বাসিন্দারাও তিতিবিরক্ত। লো-ভোল্টেজের জেরে কৃষকরাও ক্ষতির মুখে। কিন্তু বারংবার প্রশাসনের সব স্তরে জানানো হলেও এর কোনো প্রতিকার হয়নি। তবে কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাহার ঘরামি বলেন, বিদ্যুতের নতুন সাব স্টেশন তৈরি হচ্ছে। এরপরে আর সমস্যা থাকবে না। একই কথা বললেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার রিজিওনাল ম্যানেজার বিশ্বজিৎ বাগচী। তিনি জানান, সাব স্টেশনের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আমরা বিষয়টির দিকে নিয়ে নজর রাখছি।
মৈপীঠের এই এলাকাতে কুলতলির জামতলার সাব স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। আর কোনো সাব স্টেশন নেই। এখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। কিন্তু লো ভোল্টেজের কারণে আলো জ্বলছে না বলে পড়ুয়াদের অভিযোগ। তাঁরা বলেন, সন্ধ্যার পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। লম্ফো জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। হ্যারিকেনও জ্বালাতে হয়। এতে আমাদের পড়ার ক্ষতি হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারাও বলেন, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই এই সমস্যা চলছে। দিনের অধিকাংশ সময় লোডশেডিং হয়ে যাচ্ছে। দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। তারপর ঘরে আলো অনেক সময়ে একেবারেই জ্বলছে না। আর কখনও জ্বললেও টিমটিম করে। পড়ুয়াদের পড়াশোনার সমস্যা হচ্ছে। প্রশাসনকে জানানো হলেও বিষয়টিতে তারা কোনো গুরুত্ব দেয়নি।
সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে এলাকার কৃষকদেরও। তাঁরা বলেন, লো ভোল্টেজের কারণে পাম্প ঠিক মতো চলে না। ফলে চাষের জমিতে জল দিতে সমস্যা হচ্ছে। কবে এই সমস্যা মিটবে জানা নেই। এলাকার বাসিন্দারা চাইছেন সাব স্টেশন হওয়ার আগেই কিছু একটা ব্যবস্থা করুক বিদ্যুৎ দপ্তর, যাতে লো -ভোল্টেজের সমস্যা দূর হয়, পড়ুয়াদের আর ভুগতে না হয়। নিজস্ব চিত্র