


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সিজিএইচএস কার্ডধারী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে প্রাইভেট ওয়ার্ডে চিকিৎসার খরচ বাড়ছে। আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হবে। দিল্লি, হায়দরাবাদ, আমেদাবাদ, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, পুনে, চেন্নাইয়ের মতো দেশের প্রথম শ্রেণির শহরেও চিকিৎসার খরচ বাড়ছে। তবে প্রাইভেট ওয়ার্ডে। বেসরকারি হাসপাতালে জেনারেল ওয়ার্ডে ভর্তি হলে খরচ কমবে। আবার শিলিগুড়ি, আসানসোল, দুর্গাপুরের মতো শহরে খরচের মান হবে অন্যরকম। গোটা দেশের বিভিন্ন শহরকে টিয়ার ওয়ান, টু এবং থ্রি হিসেবে ভাগ করেছে কেন্দ্র। সেই মতো চিকিৎসার খরচও ধার্য করেছে। সিজিএইচএস (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কিম)র চিকিৎসার ‘রেট’ বা মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ১ হাজার ৯৯৮ ধরনের চিকিৎসার খরচ সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র।
সেখানে সিজিএইচএস প্যানেলভূক্ত বেসরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের চিকিৎসার একটি বেসিক খরচ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিকে যেমন বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, একইভাবে দেশের বিভিন্ন শহরকেও। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য সিজিএইচএস প্যাকেজে সেমি-প্রাইভেট ওয়ার্ডের জন্য দর বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই দরের ওপর জেনারেল ওয়ার্ডে ৫ শতাংশ খরচ কমবে। আবার প্রাইভেট ওয়ার্ডে ৫ শতাংশ খরচ বাড়বে। এনএবিএইচ (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটাল ফর হেলথকেয়ার প্রোভাইডারস) স্বীকৃতি হাসপাতাল হলে একরকম খরচ, আবার স্বীকৃতি প্রাপ্ত না হলে একরকম।
এনএবিএইচ স্বীকৃত হাসপাতালে যা খরচ তার চেয়ে সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে খরচ বাড়বে ১৫ শতাংশ। আবার এনএবিএইচ স্বীকৃত না হলে ১৫ শতাংশ কম খরচে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে। রেট নির্ধারণের ক্ষেত্রে হাসপাতালের স্বীকৃতি, শহরের শ্রেণিবিভাগ, কোন কর্মী কী ধরনের ওয়ার্ড পাওয়ার যোগ্য এবং হাসপাতালের ধরণ—এই চারটি মানদণ্ড বিবেচনা করা হবে।