


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২৩ সালে হাজার তিনেক। ২০২৪ সালে প্রায় আড়াই হাজার। শুধুমাত্র রেলের পশ্চিম জোনেই রেলওয়ে ট্র্যাকে সাধারণ মানুষের নিহত হওয়ার উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে এল আরটিআইয়ের জবাবে। তবে আরটিআই জবাবে নিহত কিংবা আহত হওয়ার কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। আরও উদ্বেগের বিষয় হল যে, ২০২৩ এবং ২০২৪— দু’ক্ষেত্রে পশ্চিম জোনের রেলওয়ে ট্র্যাকে আহতের সংখ্যা প্রতি বছর হাজারেরও বেশি। সোমবার মুম্বইয়ে ভিড়ে ঠাসা লোকাল ট্রেন থেকে লাইনে পড়ে গিয়েছিলেন ১০-১২ জন যাত্রী। পাশের লাইন দিয়ে ছুটে আসা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁদের মধ্যে একাধিক রেল যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে আরটিআইয়ের তথ্যে শুধু পশ্চিম রেলের এই উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। তারপরই প্রশ্ন উঠেছে, শুধুমাত্র পশ্চিম রেলেই যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে গোটা দেশে ঠিক কী ছবি?
একইসঙ্গে এই প্রশ্নও উঠছে যে, বিগত দু’বছরে যদি রেলওয়ে ট্র্যাকে এত মানুষের মৃত্যু ঘটে থাকে, তাহলে এতদিনেও কেন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি মোদি সরকার? কেন একপ্রকার চোখ বুজেছিল রেলমন্ত্রক? কারণ মুম্বই রেল নেটওয়ার্কের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে রেলমন্ত্রকের পশ্চিম জোন। ওয়েস্টার্ন রেলের সদর কার্যালয় মুম্বইয়ের চার্চগেটে।