


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুর চিড়িয়া মোড়ের অদূরে পুরসভার আশাদীপ মার্কেট। তিনতলা ওই মার্কেটে ন’টি দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে। বারাকপুর পুরসভা তার মধ্যে আটটি দোকান ‘সিল’ করে দিয়েছে। সমস্ত দোকানদারকে ডেকে পাঠিয়েছে পুরসভা। এখানেই ২০১২ সালে বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের প্রথম অফিস চালু হয়। এখনও সেখানে ডিসি ট্রাফিকের অফিস চলছে। ওই অফিসটি নবনির্মিত পুলিস কমিশনার অফিসে সরাবার জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে মার্কেটটি ফের সচল করার ভাবনাচিন্তা।
সম্প্রতি পুরসভার মাসিক ভোট মিটিংয়ে তৃণমূল কাউন্সিলার দেবু মজুমদার এই মার্কেটের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, যেসব দোকানে তাদের মালিকানা রয়েছে, প্রকাশ করা হোক তার তালিকা। মার্কেট থেকে পুরসভার রাজস্ব আদায়ের উদ্যোগ শুরু হোক। এজন্য মার্কেটটিকে পুরোমাত্রায় সচল করা জরুরি।
তপন দে’র অভিযোগ, এই মার্কেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে রয়েছে। কিন্তু কিছু মানুষ দোকান দখল করে রেখেছেন। তাঁদের হাত থেকে দোকানগুলি অবিলম্বে নেওয়া দরকার। গোটা বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন পুর চেয়ারম্যান উত্তম দাসকে। তাঁর নির্দেশে পুর কর্মী-অফিসাররা গিয়ে আটটি দোকানে ‘সিল’ করে দেন। কোন দোকানের কে মালিক, চলছে সেই সমীক্ষার কাজ।
চেয়ারম্যান বলেন, মার্কেটটি বাম আমলে তৈরি। ২০১২ সালে পুলিসের অনুরোধে ওই মার্কেটে কমিশনারেট অফিসের জায়গা দেওয়া হয়। স্বভাবতই তখন মার্কেটে সাধারণ মানুষের যাতায়াত কমে যায়। পুলিস কমিশনার অফিস এখন তাদের নিজস্ব জায়গায় চলে গিয়েছে। মার্কেটে রয়েছে শুধু ডিসি ট্রাফিকের অফিস। তাঁদের নবনির্মিত ভবনে ডিসি ট্রাফিকের অফিসও সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিস কমিশনারকে অনুরোধ করেছি। তাহলে মার্কেটের পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনা নেওয়া যাবে। এবার দোকানগুলির মধ্যে আইনি,
বেআইনি বাছাই করা হবে। বেআইনি দখলদাদের উচ্ছেদ করে মার্কেটটিকে নতুনভাবে সাজার পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার। -নিজস্ব চিত্র