


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের পর থেকে লাগাতার যে শিল্প সেক্টর ক্রমেই তলানিতে চলে গিয়েছে, সেই রিয়েল এস্টেট এবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে আশা করছে শিল্পমহল। সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিমেন্ট, স্টিল এবং আরও কয়েকটি নির্মাণ শিল্পের কাঁচামাল ও উপকরণে জিএসটি কমে যাওয়ায় আবাসন নির্মাণের ব্যয় কমবে। সেই নির্মাণ ব্যয় হ্রাসের জেরে ফ্ল্যাট, বাড়ির দামও অনেকটা কমে যাবে বলে আশা করছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপারস অর্গানাইজেশন। এমনকী সমীক্ষক সংস্থা অ্যানারকের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, অন্তত পাঁচ থেকে আট শতাংশ কমতে পারে দাম। সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালের পর মন্দার জেরে ৪৫ লক্ষ টাকার কম দামি ফ্ল্যাটের বিক্রি সবথেকে ধাক্কা খেয়েছিল। ৭৫ লক্ষ টাকার বেশি দামি ফ্ল্যাট তাও ধনীরা কিনেছে। অথচ রিয়াল এস্টেট ব্যবসায় ৪৫ লক্ষের কম দামি ফ্ল্যাট কেনা সবথেকে বেশি জরুরি। টায়ার বি এবং সি স্তরের শহরগুলিতে এই দামের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাটই সবথেকে বেশি তৈরি করা হয়। অথচ ২০১৯ সালে এই ধাপের ফ্ল্যাট বিক্রি ৪০ শতাংশ থেকে কমে ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে হয়েছে ১৯ শতাংশ। অসংখ্য আবাসন অর্ধসমাপ্ত হয়ে রয়েছে এখনও। করোনাকালে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ দিয়েছিল সরকার। সেই প্যাকেজে কোনও লাভ হয়নি। কারণ, উচ্চমূল্যের আবাসন ক্ষেত্রের সংস্থাগুলি সব আত্মসাৎ করে নিয়েছে। এবার উপকরণ ব্যয়ের জিএসটি কমে যাওয়ায় আশা করা হচ্ছে, ফ্ল্যাটের দামও কমে যাবে। এমনকী সংগঠনগুলি কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েছে যে, তারা সম্পূর্ণ জিএসটি ছাড়ের সুবিধা প্রদান করবে ক্রেতাদের।