


তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে ঘুমের ঘাটতি! বাড়াচ্ছে আত্মহত্যার প্রবণতাও। এভাবেই সতর্ক করছেন নিদ্রা বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি কলকাতায় ‘ক্যালকাটা স্লিপ সোসাইটি’ এবং ‘ওয়ার্ল্ড স্লিপ সোসাইটি’-র যৌথ উদ্যোগে ‘ভালো ঘুমান, সুস্থ বাঁচুন’ শীর্ষক অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট স্লিপ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৌরভ দাস এবং ইএনটি সার্জেন ডাঃ উত্তম আগরওয়াল।
চিকিৎসকরা জানান, বয়ঃসন্ধিতে দৈনিক ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী প্রয়োজনীয় সময়ের চাইতেও অনেক কম ঘুমায়। তার প্রধান দু’টি কারণ পড়াশোনার চাপ ও গভীর রাত পর্যন্ত স্মার্টফোন ব্যবহার। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে সামান্য সমস্যাতেও কমবয়সিরা অতিরিক্ত আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারে। যাঁরা ৭ ঘণ্টার কম ঘুমায়, তাঁদের মধ্যে অন্যকে উত্ত্যক্ত করা এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।