


সত্যি ঘটনাকে সিনেমাটিক ফর্মুলায় পর্দায় প্রতিবিম্বিত করাটা বেশি চ্যালেঞ্জের? নাকি কোনও কল্পিত কাহিনিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলাটা আরও বেশি মনন ও মেধার পরীক্ষা? এহেন জিজ্ঞাসা নিয়েই পরিচালক অভিরূপ ঘোষের ছবি ‘মৃগয়া: দ্য হান্ট’। ছবিটি তৈরি হয়েছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। থ্রিলারের কেন্দ্রে রয়েছে চার পুলিস অফিসার। অনির্বাণ চক্রবর্তী একজন ‘টেকনিক্যাল এক্সপার্ট’। ‘স্ত্রী, কন্যা নিয়ে পরিবার প্রিয় এই মানুষটি। নিজের কাজে সে এতটাই দক্ষ যে তাকে বাজপাখি বলে ডাকা হয়’, নিজের অভিনীত চরিত্রের ব্যাখ্যা করলেন অনির্বাণ। এর আগে ‘চালচিত্র’তেও পুলিসের চরিত্রে ছিলেন তিনি। ‘এই ছবির সমীকরণটা নতুন ধরনের’, বলেন অভিনেতা।
কাল্পনিক চরিত্র আর জীবন্ত চরিত্রে অভিনয়ের মানসিক ফারাক কতটা? উত্তরে প্রিয়াঙ্কা সরকারের মত, ‘সত্য ঘটনা অবলম্বনে সিনেমা বা সিরিজ হলে আমাদের কাছে একটা গাইড বুক থাকে যে, চরিত্রটা আসলে কেমন ছিল। এই ছবিতে সবকিছুর চেয়ে বড় হল ঘটনাটা।’ অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘মৃগয়া এক মায়ের গল্প।’ সৌরভ দাস এই ছবির ‘সর্দার’। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘সর্দার চরিত্রের ভয়ঙ্করতা, লোকটার নৃশংসতাকে আমি বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করেছি। খারাপটা তুলে ধরাটাও তো একজন অভিনেতার কর্তব্য।’
ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর সবথেকে বেশি আলোচনা হচ্ছে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে নিয়ে। তাঁর অভিব্যক্তির প্রশংসা করছেন দর্শক। বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, রিজওয়ান রব্বানি শেখ, অনন্যা ভট্টাচার্যর কাজ নিয়েও আলোচনা চলছে নানা মহলে।
প্রিয়ব্রত দত্ত