


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যক্ষ্মা নিবারণের একাধিক সূচকে রীতিমতো বেহাল দশা রাজ্যের। সারা দেশে যক্ষ্মা নিবারণ কর্মসূচির কী অবস্থা, তা নিয়ে সম্প্রতি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। গতবছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৯ নভেম্বর—সময়সীমার অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে সেই রিপোর্টে।
ওই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, সারা দেশে টিবি হওয়া বা যক্ষ্মা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকা জনগোষ্ঠী বা ‘ভালনারেবল পপুলেশন’-এর পরীক্ষার ব্যাপারেও পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে একেবারে শেষদিকে। বাংলায় মোট জনসংখ্যার মধ্যে ১ কোটি ৭৩ লক্ষ মানুষ এই জনসংখ্যার আওতায় রয়েছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশের পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং হয়েছে। পাথর খাদান, বস্তি এলাকা, পরিযায়ী শ্রমিক মহল্লা, ডায়াবেটিস রোগীসহ আরও অসংখ্য মানুষ এই ভালনারেবল পপুলেশনের মধ্যে পড়ে। তাঁদের মধ্যে কতজনের এক্স-রে পরীক্ষা করানো হয়েছে, সেই হিসেবও ছিল একটি সূচকে। দেখা গিয়েছে, এই সূচকেও পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে নীচের সারিতে।
ভালনারেবল পপুশেনের মাত্র ৮ শতাংশের এক্স-রে পরীক্ষা ও ৩৬ শতাংশের ন্যাট পরীক্ষা হয়েছে। ন্যাট পরীক্ষা হয়েছে কত শতাংশের, সেই সূচকে আবার দেশজুড়ে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে রাজ্য। টিবি রোগীদের এক হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যদান বা নিক্ষয় পোষণ যোজনা দেওয়ার ব্যাপারেও বাংলা রয়েছে খারাপ ফল করা রাজ্যগুলির তালিকায়।