


রাঁচি, ২৬ সেপ্টম্বর: বিহারের জামুইয়ে কিশোরীকে শ্লীলতাহানী ও মারধরের ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। তারই মধ্যে ফের প্রতিবেশি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণের এবং নৃশংসভাবে মারধরের অভিযোগ উঠল একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির বাইরে অচেতন অবস্থায় মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর বাবা। তাঁর অভিযোগ, মেয়েকে একাধিক ব্যক্তি ধর্ষণের পর বেধড়ক মারধর করে বাড়ির বাইরে ফেলে রেখে যায়। তবে অভিযোগে কত জন এই ঘটনায় জড়িত, তা নির্দিষ্ট করে জানাননি তিনি। ঘটনার পর প্রথমে কিশোরীকে সিমডেগা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাকে গুমলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে গুমলা থেকে রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে পাঠানো হয় তাকে। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
পালকোট থানার ইনচার্জ অঙ্কিত রাজ জানিয়েছেন, কিশোরীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিশোরীর মেডিক্যাল রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য পুলিশের একটি দলকে রাঁচির হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসার পর নানান পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরই ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।