


সংবাদদাতা, বারুইপুর: বাইকে চেপে টাকা বিলি করতে আসার অভিযোগে গ্রামবাসীদের হাতে আটক হলেন দুই যুবক। পরে তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে একজন মন্দিরবাজারের বিজেপি প্রার্থী মল্লিকা পাইকের নির্বাচনি এজেন্টের ছেলে এবং আরেকজন স্থানীয় বিজেপি নেতা। এমনই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে মন্দিরবাজার থানার আচনা পঞ্চায়েতের কেশবেশ্বর মন্দির এলাকায়। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মন্দিরবাজার থানার পুলিশ এলাকায় গিয়ে দুই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে তাঁরা এত টাকা নিয়ে ওই এলাকায় এসেছিলেন, তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। তবে মন্দিরবাজারের বিজেপি প্রার্থী মল্লিকা পাইক বলেন, ‘এঁরা আমাদের লোক নয়। তৃণমূল মিথ্যা সাজিয়ে বদনাম করছে।’ পালটা মন্দিরবাজারের তৃণমূল প্রার্থী জয়দেব হালদার বলেন, ‘ভোটের আগে টাকা বিলিয়ে মানুষের কাছে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। এই ঘটনা তারই প্রমাণ। পুলিশ বাকি জড়িতদের খুঁজে বের করুক। আরও টাকা পাওয়া যাবে।’
এদিন বাইকে করে কয়েকজন যুবককে ঘোরাঘুরি করতে দেখে এলাকার মানুষজনের সন্দেহ হয়। বাইক থামিয়ে গ্রামে ব্যাগ নিয়ে ঢুকছিলেন তাঁরা। গ্রামবাসীরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে কয়েকজন বাইক নিয়ে চম্পট দেয়। দুই যুবককে তাঁরা আটক করে পুলিশে খবর দেন। তৃণমূল প্রার্থী জয়দেব হালদার বলেন, ‘এরা এক বিজেপি নেতার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে ভোটারদের দিতে যাচ্ছিল। দুজনেই বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এদের উপযুক্ত শাস্তি দিক প্রশাসন।’ জয়দেববাবুর দাবি, এর পর মানুষ বিজেপি থেকে আরও মুখ ফিরিয়ে নেবে।-নিজস্ব চিত্র