


লন্ডন: জঙ্গিদের হিটলিস্টে পশ্চিম ইংল্যান্ডের রয়্যাল এয়ারফোর্স (আরএএফ) ঘাঁটি? ব্রিটিশ বায়ুসেনার এই এয়ারবেসের কাছ থেকে রবিবার পাঁচ সন্দেহভাজন তরুণের গ্রেপ্তারি ঘিরে শোরগোল তুঙ্গে। সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা ও বিস্ফোরক আইনে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে নেমে সোমবার কাউন্টার টেররিজম পুলিশিং (সিটিপি) জানিয়েছে, ধৃতরা প্রত্যেকেই ব্রিটিশ নাগরিক। বাড়ি লন্ডনে। পাঁচ তরুণের বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছে রবিবার সকালে তিনটি ভ্যানকে বায়ুসেনার ঘাঁটির দিকে এগিয়ে যেতে দেখে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয় এক মহিলা কৃষক পুলিশে খবর দেন। গ্লুচেস্টারশায়ারে এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। বায়ুসেনা ঘাঁটির ৩.২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে হোয়েলফোর্ডের কাছে একটি গ্রাম থেকে পাঁচ তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঠিক কী কারণে, কোন উদ্দেশে ধৃতরা ওই এয়ারবেসের কাছে গিয়েছিল, তা সবিস্তারে খতিয়ে দেখছে সিটিপি। এই এয়ারবেসটির সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলি ইরানে হামলা চালানোর জন্য এটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারও করেছে। ঘটনাচক্রে, জুলাই মাসে ইরানের সেনাবাহিনী এই ব্রিটিশ এয়ারবেসে প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। আমেরিকার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ব্রিটিশ আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ধৃতরা ‘বড়ো ধরনের ক্ষতি’ করার পরিকল্পনা করছিল। আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের উপর নজর রাখছিলাম। অবশেষে ধরে ফেলেছি। ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেও সূত্রকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি-র দাবি, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারির নেপথ্যে আগাম কোনো গোয়েন্দা তথ্য ছিল না। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।