


নয়াদিল্লি: খেতাব আজও অধরাই। গত চার বছরে লিগ স্টেজের গণ্ডিও টপকাতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। তবে ছাব্বিশের আইপিএলে শুরুটা ভালোই হয়েছে লোকেশ রাহুলদের। প্রথম ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে চনমনে দিল্লি শিবির। শনিবার ঘরের মাঠে আরও একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা গত পাঁচ বছরে ট্রফির স্বাদ পায়নি। তবে হার্দিকের দলের শরীরীভাষা এবার অন্য কথা বলছে। দুরন্ত ফর্মে রোহিত শর্মা। ওপেনার রিকেলটনও কেকেআরের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। সেই নিরিখে মুম্বইয়ের পাল্লা কিছুটা ভারী। তবে ঘরের মাঠে দিল্লিও চমক দিতে পারে।
গত ম্যাচে লখনউয়ের বিরুদ্ধে জয় পেলেও দিল্লিকে চিন্তায় রেখেছে টপ অর্ডার ব্যাটিং। লোকেশ রাহুল, পাথুম নিশাঙ্কা, নীতীশ রানারা বড় রান পাননি। জয় এসেছিল উদীয়মান সমীর রিজভির সাহসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে। ৪৭ বলে তিনি করেছিলেন ৭০ রান। চাপের মুখে ভালো পারফর্ম করেছিলেন ট্রিস্টান স্টাবসও। তাছাড়া ডেভিড মিলার, অক্ষর প্যাটেলের মতো ম্যাচ উইনার দিল্লির বড় ভরসা। বোলিংয়ে দুই স্পিনার কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল বিপাকে ফেলতে পারেন মুম্বইয়ের ব্যাটারদের। পেস আক্রমণে সেরা বাজি লুঙ্গি এনগিডি। এছাড়া মুকেশ কুমার এবং টি নটরাজনও খেলতে পারেন।
মুম্বই দলের ভারসাম্য দুর্দান্ত। তার উপর দুই ওপেনার রোহিত, রিকেলটনের বড় রান পাওয়া দলের বাকি সদস্যদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই মুম্বই শুরুতে চাপে পড়লে তা সামলে উঠতে পারেনি। সেটাই বড় চিন্তা হার্দিক বাহিনীর। এমনিতে তিলক ভার্মার মন্থর ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বার বার। সূর্যকুমার গত ম্যাচে বড় রান পাননি। তবে নিজের দিনে তিনি একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন। মিডল অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে নজর থাকবে নমন ধীর, শেরফানে রাদারফোর্ডের উপর।
মুম্বইয়ের বোলিং সেভাবে জমাট লাগেনি প্রথম ম্যাচে। প্রচুর রান দিয়েছিলেন বোল্ট। তুলনায় শার্দূল ঠাকুর ভালো বল করেছিলেন। বুমরাহ ফর্মে থাকলে দিল্লির ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে। তবে কোটলার পিচে স্পিনাররা সুবিধা পেলে আল্লাহ গজনফর হয়ে উঠতে পারেন তুরুপের তাস।