


পাটনা: হাতে জুতো, লাঠি। তরুণীর গলার ওড়না পেঁচিয়ে শক্ত করে ধরে রেখেছেন যুবক। মুখ খুললেই জুতোপেটা। সমানে চলছে মারধর ও যৌনহেনস্তা। মারধর করা হয় দুই পুরুষ সঙ্গীকেও। ‘নীতি পুলিশে’র ভূমিকায় একদল যুবক। জামুই, সমস্তিপুরের পর এবার বিহারের বাঁকা জেলার পর্যটন কেন্দ্র মন্দার পাহাড়ে নারী নিগ্রহ। ইতিমধ্যে ছ’জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তের কাছ থেকে জোর করে দেড় হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। এরপরই এনডিএ সরকারের আমলে বিহারে জঙ্গলরাজ নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনে বিহারের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা কার্যত মৃত্যুশয্যায়।
জানা গিয়েছে, ভিডিয়োটি গত ৩ সেপ্টেম্বরের। ২২ সেপ্টেম্বর তা পুলিশের সাইবার সেলের কাছে পৌঁছায়। ঘটনার প্রকৃত সময় নিয়ে তদন্ত চলছে। জানা গিয়েছে, বাঁকার মন্দার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন তরুণী। সেখানে তাঁকে ঘিরে ধরে ছ’জন যুবক। মহিলাকে জেরার পাশাপাশি গালিগালাজ, মারধর ও যৌন হেনস্তা চলে। প্রতিবাদ করায় জুতোপেটাও করা হয়। রেহাই পাননি পুরুষ সঙ্গীরাও।
জামুইয়ের রেশ না কাটতেই সমস্তিপুরে এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল একদল যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার ভিডিয়োটি পুলিশের নজরে আসে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবার বাঁকা। লাগাতার ধরপাকড়ের পরেও পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না। আর তা নিয়েই ক্ষুব্ধ আমজনতা।