


সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সাঁতুড়ি ব্লকের শালবেড়িয়ায় অপরিচ্ছন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জলের উৎস সোলার পাম্পের ট্যাপগুলিও ভেঙে পড়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংস্কার করা হলেও নোংরা, আবর্জনার জন্য বাধ্য হয়ে এখন কমিউনিটি হলে সেন্টার চলছে। অভিযোগ, ঠিকাদার সংস্থা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতকে কেন্দ্রের বাইরের ঝোপ জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার জন্য জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। পাশাপাশি সোলার পাম্পের ট্যাপগুলি সারানোর ব্যবস্থা করা হয়নি। যার ফলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাঁতুড়ি ব্লকের শালবেড়িয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বেহাল হয়ে পড়েছিল। কয়েক মাস আগে সাঁতুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে তরফ থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৩-’২৪ সালের পঞ্চম অর্থ কমিশনের প্রায় ২ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি সংস্কার করা হয়। কয়েক মাস আগে সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রের জলের সমস্যা সমাধানের জন্য একটি সোলার সাবমার্সিবল দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সোলার সাবমার্সিবল ঠিক থাকলেও ট্যাপগুলি ভেঙে পড়েছে। তাই বর্তমানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কিছুটা দূরে একটি কমিউনিটি হলে যাবতীয় কাজ করা হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের চারিপাশ ঝোপ-জঙ্গলে ভরে গিয়েছে। ফলে ওই স্থানে বিষাক্ত কীটপতঙ্গ, সাপ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বাচ্চাদের টয়লেট পুরো ঝোপ-জঙ্গলে ঢেকে গিয়েছে।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী জানিয়েছেন, এই কেন্দ্রে কোনো সহায়িকা নেই। ফলে বাচ্চাদের পঠন-পাঠন থেকে শুরু করে রান্নার কাজ তাঁকেই করতে হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংস্কার হলেও জলের ট্যাপগুলি ভেঙে পড়ে রয়েছে। চারিপাশ ঝোপ জঙ্গলে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে এতদিন কমিউনিটি হলে কাজ চালাচ্ছি। বর্তমানে কমিউনিটি হলে বিভিন্ন মিটিং, সভা হচ্ছে। ফলে অসুবিধা হচ্ছে।
সাঁতুড়ি ব্লকের বিডিও পার্থ দাস বলেন, বিষয়টি পঞ্চায়েতকে জানানো হচ্ছে। পঞ্চায়েত থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। -নিজস্ব চিত্র