


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রীতিমতো চমক দিল বিজেপি। রাজনৈতিক স্পর্শকাতর জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আইপিএস ডঃ রাজেশ কুমারকে। তিনি গত ৩১ জানুয়ারি অবসর নিয়ে সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন। বিজেপি’তে যোগ দিলেন কেন? তাঁর জবাব, মানুষের জন্য কাজ করে বিজেপি। বিজেপিতে যোগ দিয়ে মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই। এই কেন্দ্রে তাঁর সঙ্গে লড়াই হবে তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যামের। তিনি অবশ্য স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষ আমার সঙ্গে আছে, যে কেউ আসুক, চিন্তার কিছু নেই। গত লোকসভা ভোটে হেরে গিয়েছেন অর্জুন সিং। এবার বিধানসভা ভোটে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁকে প্রার্থী করায় বিজেপি নেতৃত্ব ও দলীয় কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অর্জুন। তবে তিনি নোয়াপাড়ায় প্রার্থী হওয়ায় একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা বিকাশ বসু খুনের বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। বর্তমান সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, এই ইস্যুকে তুলে মানুষের কাছে আমরা প্রচারে যাব। লোকসভা ভোটে আমি হারিয়েছি, এবার নতুন প্রজণ্মের প্রতিনিধি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বিধানসভা ভোটে হারাবে। তৃণাঙ্কুরের কথায়, আমার লড়াইটা সহজ হয়ে গেল।
এই শিল্পাঞ্চলের আর একটি নজরকাড়া কেন্দ্র হল বীজপুর। সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে একদা তৃণমূল কর্মী সুদীপ্ত দাসকে। যিনি ২০১৯ সালে বিজেপি’তে যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূল কর্মী রাজু কুড়মি খুনের ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশে বীজপুর থানা এলাকায় ঢুকতে পারেন না সুদীপ্ত। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারী অবশ্য সুদীপ্তকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তিনি বলেন, ও প্রার্থী হওয়ায় আমার লড়াই সহজ হল। লড়াই হবে সিপিএমের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, এখানে সিপিএমর প্রার্থী হলেন বাম ছাত্র যুব আন্দোলনের অত্যন্ত পরিচিত মুখ দেবাশিস রক্ষিত (ববি)।
বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে। তিনি প্রার্থী হওয়ার পর এদিনই সোদপুরে অভয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর মা-বাবা আর্শীবাদ নিয়ে প্রচার শুরু করেন। তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী বলেন, আমি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অর্জুন সিংকে চেয়েছিলাম। বারাকপুরের মানুষ জানে আমি কী করেছি। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না।