


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অপেক্ষার অবসান। শহরে পা রাখল ব্রাজিলের ফুটবল টিম। আজ, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন তাঁরা। এর কিছুক্ষণ পরেই গাড়িতে চেপে রওনা দেন হোটেলের দিকে। ভারতীয় ফুটবলে বাঙালি বিভক্ত ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানে। আর আন্তর্জাতিক ফুটবলের ক্ষেত্রে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। ইতিমধ্যেই ২০১১ এর ২ সেপ্টেম্বর সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে খেলা হয়ে গেছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার। আর এবার ব্রাজিলের পালা। তবে এবার আর অন্য কোন দেশ নয় ভিনিসিয়াস জুনিয়ররা শনিবার ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে খেলবেন ভারতীয় দলের বিরুদ্ধেই।
ব্রাজিল দলের যুবভারতীতে পা দেওয়ার আগে স্টেডিয়াম সাজিয়ে তোলা হচ্ছে একেবারে নতুন রূপে। কয়েক মাস আগে যখন ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল সল্টলেক স্টেডিয়াম পরিদর্শনে এসেছিলেন তখন মাঠের পরিস্থিতি দেখে তারা কার্যত চমকে গিয়েছিলেন। এরপরই নড়েচড়ে বসে এআইএফএফ। ব্রাজিল থেকে উড়িয়ে আনা হয় মাঠ বিশেষজ্ঞ। তার তত্ত্বাবধানে এবং এক মাস ধরে যুবভারতীর মাঠ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে একেবারে ভোল পাল্টে গেছে সবুজ গালিচার। অসমান মাঠ যেমন সমান করা হয়েছে তেমন বসানো হয়েছে নতুন উচ্চমানের ঘাস।
মাঠের মানের দিকে যেমন নজর রাখা হচ্ছে, তেমনি কড়া নজর দেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তার বিষয়েও। ২০২৫ এর ডিসেম্বরে মেসি এসেছিলেন কলকাতায়। সেই সময় যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিরাপত্তা আঁটোসাটো করা হচ্ছে ব্রাজিল ম্যাচের আগে। আড়াই হাজারের বেশি পুলিশ কর্মী মাঠে মোতায়েন থাকবেন শনিবার ম্যাচের দিন। থাকবেন তিনশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক। আর পুরো নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন কুড়িজন দক্ষ আইপিএস অফিসার। তৈরি করা হচ্ছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। ম্যাচের দিন মাঠে দু’দলের সদস্যরা ছাড়া আর কাউকে থাকতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি দর্শকদের জন্য থাকছে একগুচ্ছ নিয়মাবলী। এই প্রথম যুবভারতীতে দর্শকরা বসবেন টিকিটের নম্বর অনুযায়ী। দর্শকদের মাঠে ঢুকতে হবে ম্যাচ শুরুর দু'ঘণ্টা আগে। পাশাপাশি জলের বোতল, ছাতা, সিগারেট, দেশলাই, শব্দবাজি নিয়ে মাঠে ঢোকা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছে পুলিশ।