


নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক ও বহরমপুর: একটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেতা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম, আরেকটি আজুপ বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের জেতা সিট রেজিনগর। রাত পোহালেই এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আজ, রেয়াপাড়ায় ডিসিআরসি কেন্দ্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে চূড়ান্ত তৎপড়তা। একে একে হাজির হচ্ছেন ভোটকর্মীরা। এখান থেকেই ইভিএম নিয়ে তাঁরা রওনা দেবেন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে। পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মোড়া ডিসিআরসি-র চত্বর। একই ছবি দেখা যাচ্ছে রেজিনগরেও। ইভিএমের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভোট সামগ্রী—সবকিছু গুছিয়ে বুথের দিকে রওনা দিতে শুরু করেছেন ভোটকর্মীরা।
নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের বিভিন্ন এলাকায় চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ সঙ্গে নাকা চেকিং। নন্দীগ্রামের মোট ৩২৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে মঙ্গলবার। মোট ভোটারের সংখ্যা ২লক্ষ ৬৬হাজার ৪১৯জন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মোট ৭৯টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিতও করা হয়েছে। এই সকল বুথ গুলিতে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মোট ৩৭কোম্পানি আধা সেনা ভোটে মোতায়েন থাকছে বলেও সূত্রের খবর। এছাড়াও ৭০০ রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে এই কেন্দ্রগুলিতে। ভোট চলাকালীন কুইক রেসপন্স টিম, হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড সহ স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্সও মোতায়েন করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে যাওয়া সিটে উপনির্বাচন। তার মধ্যে ফলতার রেকর্ড ভাঙার বার্তাও দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এলাকায় হালকা রাজনৈতিক উত্তেজনাও রয়েছে। দুই কেন্দ্র থেকে জেতার পরে ভবানীপুরকে শুভেন্দু অধিকারী বেছে নিলেও দলীর প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে এসে সবসময় নন্দীগ্রামের পাশে থাকার বার্তাও তিনি দিয়েছেন। অন্যদিকে রেজিনগরের সভা থেকে সংখ্যালঘুদের ‘বন্ধুত্বের বার্তা’ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আশাবাদী যে রেজিনগর উপনির্বাচনে জিতবে বিজেপি। আগামী ৯ অক্টোবর দুই কেন্দ্রের ভোট গণনা। রেজাল্ট কী বলে? এখন কেবল সেটাই দেখার।