


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিএবি’র নির্বাচন কবে হতে পারে, তা স্পষ্ট হল না বার্ষিক সভায়। জট রয়েই গেল। সচিব ও যুগ্ম-সচিবের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের জট আটকে বোর্ড ও সিএবি’র গঠনতন্ত্রের বিভ্রান্তিতে। বোর্ডের গঠনতন্ত্রে রয়েছে, ৭০ বছর পেরিয়ে গেলে বা সংস্থায় ৯ বছর মেয়াদ পূর্ণ করে ফেললে কেউ সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না। কিন্তু সিএবি’র গঠনতন্ত্রে সেরকম কিছু উল্লেখ নেই। তাই এদিন এজিমে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে এবং বর্তমান কর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে সভা শেষে সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি সাফ জানিয়ে দেন, ‘সিএবি’র গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করতে হলে সুপ্রিম কোর্টেই যেতে হবে।’ তাহলে সমাধান কি? মহারাজের জবাব, ‘ সমাধান নেই। ৭০ বছর বা ৯ বছরের ব্যাপার নেই। সবাই ভোট দিতে পারবেন।’ অর্থাৎ, পুরো বিষয়টি বিশ বাঁও জলে। সংবিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করতে হয়। তা হয় কিনা সেটাই দেখার। পাশাপাশি, এজিএমে বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সজল ঘোষ, সৌরভ সিকদার, রীতেশ তিওয়ারি, অনুপম ভট্টাচার্যের মতো বিজেপি নেতারা। ফলে অনেকে আশা করছিলেন, তোলপাড় হবে সভা। কিন্তু তা হয়নি।
ক্রিকেটারদের বয়সের কারচুপির প্রসঙ্গও ওঠে সভায়। এক প্রতিনিধি প্রস্তাব দেন, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে রাজ্য সরকারের সাহায্য নেওয়া হোক। সেই সঙ্গে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এদিন সভায় অভিষেক ডালমিয়া ও বিশ্বরূপ দে’র মধ্যে একটি বিষয় ঘিরে মতানৈক্য তৈরি হয়। এদিকে, আগামী বছর সিএবি’র শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনে ইডেনে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট করার কথা ভাবছেন কর্তারা।