


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গণেশ পুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হল হরিদেবপুরের জোড়াপুকুর ঘাট এলাকা। এক পক্ষের বিরুদ্ধে অন্য পক্ষকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। বন্দুকের বাঁট দিয়েও মারধর, এমনকি ভাসানে উপস্থিত মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তে নেমে হরিদেবপুর থানার পুলিশ অমিত ঘোষ নামে এক অ্যাপ ক্যাব চালককে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের খোঁজ চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ সেপ্টেম্বর হরিদেবপুর এলাকার দু’টি ক্লাবের গণেশ ঠাকুরের ভাসান ছিল। দু’পক্ষই প্রচুর লোকজন নিয়ে জোড়াপুকুর ঘাটে ঠাকুর বিসর্জন দিতে যায়। কাদের ঠাকুর আগে ভাসান হবে, তা নিয়েই দু’পক্ষের ঝামেলার সূত্রপাত। বচসা কিছুক্ষণের মধ্যে হাতাহাতিতে গড়ায়। অভিযোগ, ধৃত অমিত ঘোষ আগ্নেয়াস্ত্র বার করে ঘোরাতে থাকে। গুলি চালানোর হুমকি দেয়। বিসর্জনে আসা অন্য পক্ষের লোকজনকে মারধর করা হয়। এতে আহত হন বেশ কয়েকজন। যে ক্লাবের সদস্যদের মারধর করা হয়, তাদের সঙ্গে আসা মহিলারা প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, তখন তাঁদের শ্লীলতাহানি করে অন্য পক্ষের লোকজন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর ১৯ তারিখ এক পক্ষ থানায় মারধরের লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মারধর, আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানোসহ একাধিক ধারায় কেস রুজু করে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সবাইকে চিহ্নিত করা হয়। শনিবার রাতে অভিযুক্ত অমিতকে গ্রেপ্তার করা হয় তার বাড়ি থেকে।