


লখনউ: স্কুল চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর। গত বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের রামকোলা এলাকায়। তবে, রবিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ময়নাতদন্তের পর চিকিত্সকরা হার্ট অ্যাটাকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নেহা নামে ১২ বছরের ওই ছাত্রীর মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের দিকে আঙুল তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, নেহা অসুস্থ হওয়ার পর স্কুলের তরফে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মৃত কিশোরীর দেহ নিয়ে বিক্ষোভ দেখান পরিজন ও গ্রামের বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, নেহার পরিবার যদি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে, তাহলে সরকারিভাবে তদন্ত শুরু করা হবে।
সূত্রের খবর, গত বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ শ্রেণিকক্ষের মধ্যেই লুটিয়ে পড়ে নেহা। স্কুল কর্তৃপক্ষ তার অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। নেহাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রথমে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নেহার দেহ সমাধি দেওয়া হয়। কিন্তু দু’দিন পর তার দাদু কুশীনগরের জেলাশাসকের কাছে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ জানিয়ে অভিযোগ করেন। শুক্রবার নেহার দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। কিন্তু রবিবার মৃত্যুর কারণ প্রকাশ্যে আসার পর সকলেই স্তম্ভিত। এত কম বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কিছুটা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন চিকিত্সকরাও। এদিকে, নেহার বাবা রাজারামের অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুলের এক শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের জন্য শিক্ষাদপ্তরের তরফে দুই সদস্যের কমিটিও তৈরি করা হয়েছে।