


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাঠের এক প্রান্তে পরিবার নিয়ে শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশনে মত্ত মোহন বাগান ফুটবলাররা। অপর প্রান্তের ডাগ-আউটে তখন শ্মশানের নীরবতা। কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস ও ফুটবলাররা নির্বিকার। মাত্র দু’দিন আগেই নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে যে ফুটবলটা খেলেছিলেন জিকসন-বিপিনরা, বৃহস্পতিবার শিল্ড ফাইনালে তার ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না। তারউপর আনোয়ারের অনুপস্থিতিতে নড়বড়ে রক্ষণ ইস্ট বেঙ্গলের হারের অন্যতম প্রধান কারণ। খুব সহজেই লাল-হলুদ ডিফেন্ডারদের চ্যালেঞ্জ টপকে গোল করলেন সমীর জেলকোভিচ। এমনকি, পিছিয়ে পড়ার পরেও মরিয়া তাগিদ দেখা যায়নি লাল-হলুদ ফুটবলারদের মধ্যে। স্বাভাবিকভাবে ম্যাচ শেষে তাঁদের মানসিকতা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। এই হারের দায় এড়াতে পারেন না কোচ হাবাসও। স্প্যানিশ কোচ অবশ্য এই হারের পর ঠাসা সূচিকেই দায় করছেন।
মাঠে দাঁড়িয়েই লাল-হলুদ কোচের মন্তব্য, ‘মাত্র দু’দিন অন্তর ম্যচ খেলা সত্যিই কঠিন। সামনে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। কোনো ফুটবলার চোট পেলে তার দায় কে নিত? এমন পরিস্থিতিতে ছেলেদের থেকে সেরাটা চাওয়া সত্যিই অমানবিক। শিল্ড জয়ের জন্য মোহন বাগানকে অভিনন্দন।’ স্প্যানিশ কোচ যতই সূচিকে দায়ী করুন না কেন, ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠক এড়িয়ে যাওয়াটা কাম্য নয়। ফুটবল মাঠে হার-জিত খেলারই অঙ্গ। জিতলে যাবতীয় প্রচারের কেন্দ্রে থাকব। আর হারলে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাব— কলকাতা ফুটবলে এই সংস্কৃতি ছিল না। তবে সম্প্রতি বিদেশি কোচেদের হাত ধরেই এই রীতি চালু হয়েছে।
আইএসএলের আগে অবশ্য এই হার দলের জন্য বড়ো ধাক্কা বলেই মনে করছেন রশিদ। তাঁর কথায়, ‘এই হার থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। ’