


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মহম্মদ রশিদকে নিয়েই চেন্নাই যেতে চান অস্কার ব্রুজোঁ। কিন্তু প্যালেস্তাইনের ফুটবলার কতটা ফিট? এদিন রিহ্যাবের পর দলের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ অনুশীলন করেন তিনি। শুক্রবার সকালে রশিদ স্প্রিন্ট টানবেন। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চেন্নাইগামী স্কোয়াডে তাঁর জায়গা পাকা। আসলে রশিদের গ্রিন সিগনালের জন্য কিছুটা বাড়তি সময় দিচ্ছেন ব্রুজোঁ। তাই শুক্রবার সকালে অনুশীলনের পর চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নেবেন লাল-হলুদ সারথি।
শনিবার বিকেল পাঁচটায় চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ইস্ট বেঙ্গল। চলতি টুর্নামেন্টে মশালবাহিনীর প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ। চেন্নাইতে এখন বেশ গরম। তবে ব্রুজোঁ কোনো অজুহাত দিতে নারাজ। তাঁর মন্তব্য, ‘যুক্তি দিয়ে লাভ নেই। যে করে হোক ম্যাচ জিততে হবে। গরমের কথা ভেবেই প্রতিদিন বিকেলে অনুশীলন করানো হয়।’ আইএসএলে এই মুহূর্তে ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট মিগুয়েলদের। শনিবার জিতলে একলাফে লিগ টেবিলে অনেকটা উঠে আসবেন সাউলরা। প্রতিপক্ষ চেন্নাইয়ান কতটা শক্তিশালী? প্রীতম, নাগুয়েরো, বেনাম্মার, ড্যানিয়েল চিমারা এখনও পর্যন্ত নামের প্রতি সুবিচারে ব্যর্থ। ছ’টি ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে জিতেছে তারা। তাতে কী! ‘জিতবই’ সেকথা বুক বাজিয়ে বলার সাহস দেখাচ্ছেন না ব্রুজোঁ। আসলে তাঁর দলে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। কেরল ব্লাস্টার্স ম্যাচই তার প্রমাণ। কেরালার দলটি এখনও পর্যন্ত হাফ ডজন ম্যাচে হারের মুখ দেখেছে। একমাত্র ইস্ট বেঙ্গলকে রুখে দিয়েছে তারা। সেকথা মাথায় রেখে অস্কার বললেন, ‘বিপক্ষে অভিজ্ঞ ফুটবলারের সংখ্যা প্রচুর। হালকাভাবে নেওয়ার প্রশ্নই নেই। ওদের গুরুত্ব দিচ্ছি।’ চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে ইস্ট বেঙ্গলের ট্র্যাক রেকর্ড মন্দ নয়। গতবার অ্যাওয়ে ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল ব্রুজোঁর দল। পিভি বিষ্ণু ও জিকসন লক্ষ্যভেদ করেছিলেন। এবারও প্ল্যান ‘বি’ হিসাবে জিকসনকে মাঝমাঠে ব্যবহারের ভাবনা টিম ম্যানেজমেন্টের। সেক্ষেত্রে রক্ষণে আনোয়ার-সিবলে জুটি শুরু করতে পারেন। বৃহস্পতিবার অনুশীলনে ডেডবল মুভমেন্টের উপরেও জোর দেন স্প্যানিশ কোচ।