


প্রিয়দর্শনের ‘ভূত বাংলা’ ছবিতে ফের দেখা যাবে অভিনেতা রাজপাল যাদবকে। কিছুদিন আগেই ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় পেরলেন তিনি। কিন্তু সাক্ষাৎকারে সে প্রশ্ন করা নিষেধ ছিল। কেরিয়ার নিয়ে নিজের ভাবনা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
প্রিয়দর্শনের সঙ্গে আপনি অনেক ছবিতে কাজ করেছেন। সময়ের সঙ্গে আপনাদের মধ্যে সম্পর্কের রসায়ন কতটা বদলেছে?
কাজ করতে করতে সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। জীবনের যে কোনো ক্ষেত্রেই আপনি যখন লাগাতার কাজ করেন, তখন অনেক কিছুই এমন শেখা যায়, যা শব্দে প্রকাশ করা যায় না। একটা টিউনিং তৈরি হয়, যেটা অনুভব করা যায়।
কমেডি কি সবচেয়ে কঠিন?
সত্যি বলতে কমেডি কখনো জোর করে করা যায় না, এটা ভেতর থেকে স্বাভাবিকভাবে আসতে হয়। আর এক্ষেত্রে সঠিক ‘টাইমিং’ খুব জরুরি। আমি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে বডি ল্যাঙ্গুয়েজকে গুরুত্ব দিই এবং নবরসের সূক্ষ্ম ব্যবহার করি। কখনও হাসির আড়ালে রাগ বা রাগের আড়ালে হাসি লুকিয়ে রাখার মধ্যেই অভিনয়ের গভীরতা তৈরি হয়।
আপনার প্রিয় কমেডিয়ান কে?
প্রত্যেক শিল্পীই নিজের একটি আলাদা ছাপ রেখে যান। সেই ছাপ তৈরি হয় তাঁদের কাজের সময়কাল এবং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে। তবে চার্লি চ্যাপলিন বা গোবিন্দার মতো শিল্পীরা যেন এক একজন ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার’। তাঁরা যেখানে দাঁড়ান, সেখানেই কিছু না কিছু অসাধারণ সৃষ্টি করে ফেলেন। তাঁরাই আসল উস্তাদ। এই তালিকায় রজনীকান্ত এবং জ্যাকি চ্যান-কেও রাখব। আর রাজপাল যাদবকেও (অট্টহাসি)।
আপনার জীবনে সাফল্যের মূলমন্ত্র কী?
যে বিনোদনকে ছাত্রের মতো শিখতে চায়, সে-ই সফল হয়। যারা ভাবে, ‘আমি তো পারি’, তারা এগোতে পারে না। শেখার মানসিকতা সবসময় থাকতে হবে।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই