


পাটনা: ‘ভোট দেব কীভাবে? নির্বাচনে লড়াই-ই বা করব কীভাবে?’ শনিবার প্রশ্ন তুলেছিলেন বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশন যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে তাঁর নাম নেই। বৈঠকে একটি ভোটার কার্ডও দেখান তিনি। যদিও তেজস্বীর অভিযোগ খারিজ করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, তেজস্বীর নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে। বরং সাংবাদিক বৈঠকে যে ভোটার কার্ড ও এপিক নম্বরের উল্লেখ তেজস্বী করেছিলেন, সেই নম্বরের বা কার্ডের কোনও অস্তিত্বই নেই বলে দাবি কমিশনের। আরজেডি নেতাকে একটি নোটিস ধরানো হয়েছে। বিজেপির কটাক্ষ, ‘তাহলে কি তেজস্বীর নামে দু’টি ভোটার কার্ড রয়েছে।’
স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের প্রথম পর্বের পর বিহারে গত ১ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। ৬৫ লক্ষের বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। এই আবহে শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন তেজস্বী। তাঁর দাবি ছিল, বিহারের ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। তাঁর ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর আরএবি২৯১৬১২০। কমিশনের বিরুদ্ধে ‘স্বৈরচারী আচরণ’ করার অভিযোগ তোলেন তেজস্বী। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, তেজস্বীর এপিক নম্বর আরএবি০৪৫৬২২৮। ২০৪ নম্বর বুথের (বিহার অ্যানিমাল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি বিল্ডিং) ক্রমিক নম্বর ৪১৬-তে তাঁর নাম রয়েছে। তেজস্বী যে এপিক নম্বরের উল্লেখ করেছিলেন তাঁর অস্তিত্বই নাকি নেই। লালুপুত্র যে ভোটারকার্ডটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে এনেছিলেন, তাও দেখতে চেয়েছে কমিশন।