


রাঁচি: ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতাসীন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যা থাকা সত্ত্বেও রাজ্যসভার ভোটে হারতে হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীকে। ‘ক্রস ভোটিং’-এর জেরে জয়ী হয়েছেন বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। এই ঘটনায় এবার রাজ্যের শাসক ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের ফাটল স্পষ্ট হয়ে গেল। মঙ্গলবার জোটসঙ্গী বাম ও আরজেডিকে সরাসরি আক্রমণের রাস্তায় নামল মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএন)।
দুই শরিককে তোপ দেগে জেএমএম সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় ভট্টাচার্যের তোপ, ৫৬ জন নন, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী হলেন সেই ৫০ জন বিধায়কের নেতা যাঁরা জোট প্রার্থীদের হয়ে ভোট
দিয়েছেন। বাকি যে বিধায়করা বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভপতি নীতিন নবীন। সুপ্রিয় ভট্টাচার্যের দাবি, জোটের যে বিধায়করা বিপক্ষের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের শনাক্ত করা গিয়েছে। তবে প্রকাশ্যে কারও নাম নেননি তিনি।
যদিও জেএমএমের তোলা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে আরজেডি এবং সিপিআই (এমএল)। এবিষয়ে সিপিআই(এমএল) সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আমরা দায়িত্বের সঙ্গে বলতে পারি, জোটের পরিকল্পনা মেনে আমাদের দলের দু’জন বিধায়কই কংগ্রেস
প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।’ একধাপ এগিয়ে আরজেডি মন্ত্রী সঞ্জয় প্রসাদ যাদব বলেছেন, আমাদের দল কংগ্রেসের মতো ‘বিশ্বাসঘাতক’ নয়। তাঁরা কংগ্রেস প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন।
আরজেডি সাধারণ সম্পাদক ভোলা যাদবের দাবি, অন্যদের দোষারোপ করার আগে কংগ্রেসেরই খতিয়ে দেখা উচিত তাদের বিধায়করা কে কাকে ভোট দিয়েছেন।