


সংবাদদাতা, বারুইপুর: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ হিসাবে নাম ছিল ৭২ বছরের বৃদ্ধা জোৎস্না হালদারের। পরিবারের দাবি, বিষয়টি জানার পর কয়েক দিন ধরে চাপা আতঙ্কে ভুগছিলেন তিনি। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার হৃদরোগে মৃত্যু হয় তাঁর। বাড়ি রায়দিঘির নালুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গম্ভীরনাথ এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাংসদ বলেন, প্রতিদিনই মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। বেদনাদায়ক ঘটনা। নির্বাচন কমিশনকে ধিক্কার জানাই। আমরা এই পরিবারের পাশে আছি।
মৃত্যুর খবর চাউর হতেই এলাকার বাসিন্দারা ভিড় করেন গৃহবধূর বাড়িতে। আকস্মিক অসুস্থতার কারণে এই মৃত্যুতে তাঁরাও নির্বাচন কমিশন কে দায়ী করেছেন। মৃতার ছেলে গোপাল হালদার বলেন, মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল না। শুনানিতে ডাকার পরে সবরকম কাগজ দেওয়া হয়। চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, মায়ের নাম বিচারাধীন। মা চাপা আতঙ্কে ভুগছিল। আমাদের কিছু বলতো না। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল মা। নাম যদি চূড়ান্ত তালিকায় থাকত তবে এমন হত না।