


নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: টানা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হল ডালখোলা থেকে আটক চিকিৎসক জানিসার আলম ওরফে জিগরকে। দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে যোগ রয়েছে সন্দেহে শুক্রবার সকালে জিগরকে আটক করে এনআইএ। দীর্ঘ জেরার পর শনিবার বিকেলের দিকে তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়।
জিগরের কাকা আব্দুল কাশেম জানিয়েছেন, বছরখানেক আগে দিল্লি বিস্ফোরণে সন্দেহভাজন একজনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল জিগরের। সেই সূত্রেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এনআইএ’র তদন্তকারীরা। কিন্তু সন্দেহজনক কোনও তথ্য না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। বিস্ফোরণকাণ্ডের পর লুধিয়ানায় জিগরদের বাড়িতেও গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেখানে তল্লাশির পর চিকিত্সকের বাবার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ডালখোলায় এসেছিলেন বলেও জানিয়েছেন কাশেম।
পরিবারের লোকজন জানান, জিগরের কোনও বদভ্যাস ছিল না। তিনি জন্মসূত্রে কোনাল গ্রামের বাসিন্দা হলেও ৪০ বছর ধরে পরিবার লুধিয়ানার সর্দারনগরের বাসিন্দা। তাঁর বাবা সেখানে একজন প্রতিষ্ঠিত হাতুড়ে। জিগারও আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি পড়েছেন। কোনাল গ্রামে তাঁদের চাষের জমি, বসত বাড়ি আছে।
ডিসেম্বর মাসে দুই বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে মা জুনেরা বেগম ও এক বোনকে সঙ্গে নিয়ে গত ১২ নভেম্বর দুপুরের পর কোনাল গ্রামে আসেন জিগর। কোনাল গ্রামের একজনের সঙ্গে তাঁর নিজের বোনের বিয়ে ২৪ ডিসেম্বর। জিগরের কাকার মেয়ের বিয়ে হওয়ার কথা ৬ ডিসেম্বর। এনগেজমেন্ট ১৬ নভেম্বর। তার আগে জিগর আটক হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছিল পরিবার। কান্নায় ভেঙে পড়েন জিগরের মা ও অন্য আত্মীয়রা। মা বলেন, ছেলে কোনও খারাপ কাজে জড়িত নয়।