


সংবাদদাতা, বনগাঁ: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছেন, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে গোটা রাজ্যের বেহাল রাস্তা সংস্কার করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরও বনগাঁ পুরসভা এলাকায় শুরু হয়নি রাস্তা সংস্কারের কাজ। পুরসভা এলাকায় সিংহভাগ রাস্তাই বেহাল। ছোট বড় গর্ত রাস্তা জুড়ে। সামনেই পুজো। কিন্তু তার আগে বনগাঁ শহরের ‘রুগ্ন’ একাধিক রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই পুরসভার। বনগাঁ শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মধ্যে অন্যতম রেটপাড়া থেকে আমলাপাড়া যাওয়ার রাস্তা। চাকদহ সড়ক থেকে যশোর রোডে মিশেছে এই রাস্তা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে বনগাঁ হাসপাতালে যাতায়াত করেন। একাধিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও রাস্তাটি ব্যবহার করে। কিন্তু রাস্তাটিতে একাধিক গর্ত, কোথাও কোথাও বড় বড়ও। গর্ত পাশ কাটিয়ে যাতায়াতের সময় নানা দুর্ঘটনা ঘটছে।
এছাড়া বনগাঁ পশু হাসপাতালের পাশ দিয়ে যাওয়া রামকৃষ্ণপল্লির রাস্তাও একপ্রকার মরণফাঁদ। বাসিন্দাদের দাবি, শহরের মধ্যে দিয়ে যাওয়া চাকদহ সড়ক ও যশোর রোড বাদ দিলে পুরসভা এলাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ রাস্তাই বেহাল। তুষার ঘোষ নামে এক বাসিন্দা বলেন, যে কোনো প্রয়োজনে বাইরে বেরলে বেহাল রাস্তার জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বৃষ্টিতে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার মুখে রেটপাড়ার রাস্তায় নিকাশিনালার ঢাকনা ভেঙে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর আগেই রাস্তাগুলির সংস্কার হবে। এবিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথামতো বেহাল রাস্তা সারাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। টেন্ডারের কাজ শেষের পথে। আশা করছি মুখ্যমন্ত্রীর ‘ডেড লাইনের’ আগেই রাস্তা সংস্কার শেষ হবে। -নিজস্ব চিত্র