


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘এ ধরনের মামলায় সাধারণত তিন মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।’ পুরনো এক মামলার রায়ের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১০ জন তৃণমূল বিধায়কের পদ খারিজ ইস্যুতে সময় মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চ রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে এই নির্দেশ দিয়েছে।
শুনানিতে শোভনদেবের পক্ষে আইনজীবী কপিল সিবাল এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চকে বলেন, এও সেই এনসিপিআইয়ের মতোই মামলা। একদলের প্রতীক জিতে অন্য দলে যাওয়া বা দলের মধ্যে বিদ্রোহ করে নিজেদেরই প্রকৃত বলে দাবি করা। তাই এ ধরনের ইস্যুতে স্পিকার যদি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেন, তাহলে তা দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে ভয়ঙ্কর।
আবেদন শুনে বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার রায়ে বলা হয়েছে, কোনো বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইন বা বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পিকারের রয়েছে। তবে এর জন্য স্পিকারকে উপযুক্ত সময় দেওয়া হবে। সাধারণত তিন মাসের মধ্যে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্পিকার সেই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশাপ্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। গত ৮ জুলাই বিধানসভার স্পিকারের কাছে ঋতব্রতদের বিধায়কপদ খারিজ করার আর্জি জানান শোভনদেব। ফলে সেই হিসেবে আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা স্পিকারের।