


নিউ ইয়র্ক: তাঁর হাত ধরেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছিল জাপান ফুটবলে। ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এশিয়ান দেশটির হেড কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন ব্রাজিলের জিকো। ‘জে’ লিগে উন্নতিতে জোর দেন এই কিংবদন্তি কোচ। তারই ফসল পাচ্ছে জাপান। চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই রাউন্ড অব ৩২’এর টিকিট পাকা করেছে তারা। এবার জাপানকে খেলতে হবে তাদের প্রাক্তন কোচের দেশ ব্রাজিলের বিরুদ্ধে। শক্তির নিরিখে দু’দলের মধ্যে বিস্তর ফারাক। তবে প্রতিপক্ষকে হালকা ভাবে নিলে ভুগতে হবে আনসেলোত্তি ব্রিগেডকে। এমনই সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন জিকো। তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলিয়ান হিসেবে অবশ্যই আমি দেশকে সমর্থন করব। তবে জাপান জিতলে হতাশ হব না। গত দু’দশকে সে দেশের ফুটবল অনেক উন্নতি করেছে। তাই সোমবার এক উপভোগ্য ম্যাচের অপেক্ষায় রইলাম। ব্যক্তিগতভাবে এই ম্যাচটা আমার কাছে খুবই আবেগের। ব্রাজিল আমার রক্তে। তবে জাপানের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক। খুব সামনে থেকে ওদের এগিয়ে চলতে দেখেছি। আজ আমার অবস্থা অনেকটাই ডিডির (ওয়ালদির পেরেরা) মতো। দেশের হয়ে জোড়া বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯৭০ বিশ্বকাপের শেষ আটে তাঁর কোচিংয়েই সেলেকাওদের বিরুদ্ধে খেলেছিল পেরু।’
শনিবার জাপান ম্যাচের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে নেমে পড়ল ব্রাজিল। অনুশীলনের শুরুতে দীর্ঘক্ষণ নেইমারের সঙ্গে কথা বলেন কোচ আনসেলোত্তি। উল্লেখ্য, ৯৮১ দিন বাদে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রত্যাবর্তন করেন ব্রাজিলের ‘পোস্টার বয়’। এবার নক-আউটে তাঁকে শুরু থেকে দলে রাখার ভাবনার ব্রাজিল কোচ।