


জাপান, ৩ অক্টোবর: জমজমাট শনিবার। এদিন এশিয়ান গেমস ক্রিকেট ফাইনালে মুখোমুখি হল ভারত ও পাকিস্তান। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়শ আয়ার। ভারতের হয়ে প্রথমে ব্যাটিং করতে আসে বৈভব সূর্যবংশী ও অভিষেক শর্মা। প্রথম থেকেই রানের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এই দুই ব্যাটার। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খেতে হয় ভারতকে। মাত্র ১৫ রান করে ফিরে যান সূর্যবংশী। টিমের রান তখন ২৮। এরপর ব্যাটিং করতে আসে সঞ্জু স্যামসন। কিন্তু লাভের লাভ হলনা কিছুই। তৃতীয় ওভরেই আরও একটি বড়ো ধাক্কা খায় টিম ইন্ডিয়া। মাত্র ২ রান করে আউট হয়ে যেতে হয় স্যামসনকে। তারপরে টিমের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করতে আসেন অধিনায়ক শ্রেয়শ আয়ার। শ্রেয়শ ধীর গতিতে খেললেও অপরদিকে একটি দুরন্ত ইনিংশ খেলে হাফসেঞ্চুরি করেন অভিষেক। এরপর সপ্তম ওভারে আরও একটি বড়ো ধাক্কা খায় ভারত। ৬১ রান করে ফিরে যেতে হয় অভিষেককে। টিমের রান তখন ৯৩। তৃতীয় এই উইকেটটি পড়ার পর ব্যাটিং করতে আসেন ইশান কিশান। এরপর শ্রেয়শ-কিশান জুটি ম্যাচের হাল ধরার চেষ্টা করেন। এই দুই ব্যাটারের মধ্যে একটি ছোটো পার্টনারশিপ গড়লেও পাকিস্তানদের বোলারদের কাছে পরাস্ত হতে হয় এই দুই ব্যাটারকে। পরপর দুটি ওভারে আউট হয়ে ফিরে যেতে হয় শ্রেয়শ এবং কিশাণকে। এরপর ব্যাটং করতে নেমে ম্যাচের হাল ধরেন তিলক-দুবে জুটি। দুরন্ত একটি ইনিংশ খেলে হাফসেঞ্চুরি করেন তিলক। পাশাপাশি ১৯ নম্বর ওভারে আউট ২৭ রান করে ফিরে যান দুবে। অবশেষে ৬ উইকেট খুঁইয়ে ২১১ রান করে ভারত।
২১২ রানের টার্গেট নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে আসে ফারহান ও সাদাকাত। ২১২ রানের লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য প্রথম থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এই দুই ব্যাটার। কিন্তু তৃতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় পাকিস্তান। মাত্র ১০ রান করে ফিরে যেতে হয় ফারহানকে। এরপর ব্যাটিং করতে আসেন উসমান। অপরদিকে উইকেটের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারতীয় বোলাররা। এরপর চতূর্থ ও ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাক্কাটি খায় পাকিস্তান। ফিরে যেতে হয় উসমান ও সাদাকাতকে। পরপর উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন চাপে তখন দলের দায়িত্ব নিয়ে মাঠে ব্যাটিং করতে আসেন হাসান। দুরন্ত একটি ইনিংশ খেলে হাফসেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের এই ব্যাটার। অবশেষে ৬ উইকেট খুঁইয়ে ১৯২ রানে শেষ করে পাকিস্তান। সোনা জেতার এই মহারণে নিজেদের জয় নিশ্চিত করে ভারত।