


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাঠানখালি পঞ্চায়েত থেকে জাল জন্ম শংসাপত্র তৈরির ঘটনায় তদন্তকারীদের নজরে এখন পঞ্চায়েত প্রধান। কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে দিনের পর দিন গোছা গোছা সার্টিফিকেট তৈরি করলেন চুক্তিভিত্তিক কর্মী গৌতম সর্দার, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, গোটা বিষয়টি পঞ্চায়েতের অনেকেই জানতেন। কিন্তু কোনও অজানা কারণে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তাঁরা। গৌতম পঞ্চায়েতের কিউআর কোড নকল করেন। তারপর সেটি ব্যবহার করে তৈরি করতেন জাল জন্ম শংসাপত্র। মাসখানেক আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল গোসাবা থানা।
তদন্তে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েতের কিউআর কোড যে জাল হয়েছে, কিছুদিন আগে একজন তা পঞ্চায়েতে এসে জানান। তারপরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। জেরায় গৌতম দাবি করেছেন, জাল শংসাপত্র তৈরির কাজ তিনি অনেকদিন ধরেই করে আসছেন। সুন্দরবনের জলপথ পেরিয়ে যে সব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেছেন, তাঁদের অনেকেরই বার্থ সার্টিফিকেট তাঁর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। সীমান্ত পেরনোর কাজে যুক্ত দালালরাই তাঁর সঙ্গে এব্যাপারে যোগাযোগ করত। পাশাপাশি পাসপোর্ট তৈরির জন্য যেসব দালাল রয়েছে, তাদের অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল তাঁর। টাকার বিনিময়ে জাল জন্ম শংসাপত্র বিক্রি করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আর কারা কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।