


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ কোন পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে সেই ব্যাপারে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থদপ্তর। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মীরা গত এপ্রিলে প্রথম কিস্তিতে—২০১৬-র জানুয়ারি থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএর অংশ পেয়েছেন। বাকি সময়ের প্রাপ্য মেটানোর জন্যও সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী-আধিকারিকদের বকেয়া তাঁদের জিপিএফ তহবিলে জমা পড়ছে। গ্রুপ ডি কর্মীরা শুধু স্যালারি অ্যাকাউন্টে টাকা পাচ্ছেন।
অর্থদপ্তর শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, ওইসময়ে কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য পুরোপুরি বা আংশিকভাবে আইএফএমএস মডিউলের সাব-মডিউল এইচআরএমএসে নেই। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে বিকল্প পদ্ধতিতে হিসাব করে বকেয়া নির্ধারণ করা হবে, সেটা বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এই অবস্থায় কর্মীমহল থেকে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কীভাবে হিসাব করে গত এপ্রিল মাসে বকেয়া ডিএর একটা অংশ দেওয়া হল?