


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গণতন্ত্রের মন্দির বলে মোদি সরকার চালায় প্রবল প্রচার। অথচ সেই সংসদ ভবনেই সাধারণ দর্শকদের প্রবেশ একপ্রকার নিষিদ্ধ! অজুহাত নিরাপত্তা। গত ২০ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। ঘটনাচক্রে ওইদিনই যন্তরমন্তর থেকে ‘সংসদ চলো’র ডাক দিয়ে অভিযান করে মোদি সরকারকে নাস্তানুবুদ করে জেন জির প্রতিবাদ। ককরোচ জনতা পার্টির আয়োজনে তারুণ্যেই ওই প্রতিবাদে পার্লামেন্টও টলে গিয়েছে। সেদিন থেকে গত ১৭ দিন হয়ে গেল সংসদে সাধারণ দর্শকদের নো-এন্ট্রি। যা নজিরবিহীন। সংসদের অধিবেশন চললে সভার কার্যবিবরণীর সাক্ষী হতে শিক্ষার্থীরা তো বটেই, সাধারণ মানুষও সংসদে আসেন। দর্শক গ্যালারিতে বসে চাক্ষুস করেন অধিবেশন। সামনে থেকে দেখার সুযোগ মেলে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিরোধী দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের। দর্শকদের উপস্থিতিতে গমগম করে সংসদ। এবার তা নেই।
কেন? ওই যে দোহাই, নিরাপত্তার। সংসদের দর্শক গ্যালারির জন্য ভিজিটর পাস তৈরি হয় চারটি জায়গায়। নর্থ-সাউথ ইউটিলিটি এবং রকাবগঞ্জ গুরদোয়ারা রোড এবং ট্রান্সপোর্ট ভবন গেট। রয়েছে মোট ২৮ টি কাউন্টার। সাধারণত সংসদের অধিবেশনের সময় এখানে ভিড় লেগেই থাকে। সাধারণ ভিজিটরদের উপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর চোখ ঘোরে সর্বদা। কার সঙ্গে কী আছে, হয় মেশিনে স্ক্যান।
এবার সেই দৃশ্য গায়েব। যদিও তারই মধ্যে সরকারপক্ষেই কোনো কোনো দাপুটে সাংসদের ‘সৌজন্যে’ আসছেন ভিজিটর। যদিও তা হাতে গোনা। বিরোধীদের লাগাতার প্রতিবাদে চলছে না অধিবেশন। সরকারের এই অপ্রস্তুত অবস্থাও কি সাধারণ দর্শকদের দেখাতে চান না স্পিকার? তাই কি প্রবেশ নিষেধ? উঠছে প্রশ্ন।