


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যুবভারতীতে ম্যাচ শেষের পরেই আবেগঘন দৃশ্য। গোটা দলকে ডেকে নিলেন জামশেদপুর এফসি’র কোচ কাইজার। বৃত্ত বানিয়ে শুরু প্রার্থনা। তারপর ছোট্ট ফটোসেশন। ড্রেসিং-রুমে ফেরার সময় সানানদের চোখ চিকচিকে। জামশেদপুর এফসি’র জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন প্রণয়, আলবিনোরা। প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মরিয়া লড়েও করেও সাডেন ডেথে হার। ইস্পাতনগরীর দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করতেই হয়। মোহন বাগানের প্রাক্তনী প্রণয় হালদারের মন্তব্য, ‘একটা যুগের সমাপ্তি। যদিও ভারতীয় ফুটবলের জন্য মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন নয়। কিছু করার নেই। এগিয়ে চলতে হবে। জানা গেল, ১২ জন ফুটবলারের সঙ্গে জামশেদপুরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি। মালিকানা বদলের পর তাঁরা চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে খেলতে পারেন। বাকিদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। প্রণয় বললেন, ‘মঙ্গলবার গোটা টিম ইস্পাতনগরীতে ফিরবে। তারপর কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’
এদিকে, ম্যাচের পর রেফারির উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন মোহন বাগান কোচ পানাজিওটিস। পেনাল্টি না পাওয়ায় ফুঁসছেন তিনি। পানোসের মন্তব্য, ‘ইস্ট বেঙ্গলের বিরুদ্ধেও নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত আমরা। এদিন যা হল সবাই দেখেছেন। তিনটি পেনাল্টি না পাওয়া দুর্ভাগ্যজনক।’ সোমবার দ্রুত গোল পেয়েও ক্রমশ খেই হারিয়েছিল মোহন বাগান। ড্র্যাজিচ, মনবীরদের সুযোগ নষ্টও এর জন্য দায়ী। পানোস মেনে নিলেন, বল পজেশন বজায় রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। এবার সামনে সেমি-ফাইনাল। রিকভারির সময় কম। তার উপর চোট পাওয়ায় এদিন ড্র্যাজিচকেও তুলে নিতে হয়। তাঁর চোট কতটা গুরুতর? পানোস বললেন, ‘মঙ্গলবার অনুশীলনে ড্র্যাজিচের অবস্থা বোঝা যাবে।’ উল্লেখ্য, বুধবার শিলং উড়ে যাচ্ছে মোহন বাগান। ম্যাচের আগে সেখানেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারবেন জেমি ম্যাকলারেন, সাহালরা।