


নয়াদিল্লি: পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) যুক্তিসঙ্গত করে তোলার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার মুখে। এজন্য বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে করের স্ল্যাব আরও কমবে। এমনই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, রেভিনিউ নিউট্রাল রেট (আরএনআর) অনেকটাই কমেছে। তা আরও কমবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে রাজস্বের এই গড় হার ছিল ১৫.৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে তা কমে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।
করের হার সরলীকরণ ও যুক্তিসঙ্গত করার জন্য ২০২১ সালে মন্ত্রিগোষ্ঠী গঠন করা হয়েছিল। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ওই মন্ত্রিগোষ্ঠীর কাজে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি ঘটেছে। তিনি বলেছেন, এই গোষ্ঠী খুব ভালো কাজ করেছে। তিনি নিজে বিষয়টি পর্যালোচনা করবেন। তারপরই বিষয়টি জিএসটি পরিষদে উত্থাপন করা হবে।
অর্থমন্ত্রীর এই বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। তারা বলেছে, জিএসটিতে সার্বিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তা শুধু হার কমানোতেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। দলের নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, এই কর কাঠামোর সরলীকরণের প্রয়োজন রয়েছে। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের ইস্তাহারে জিএসটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এটাই কংগ্রেসের অবস্থান। এখন বল কেন্দ্রের কোর্টে। তিনি আরও বলেছেন, জিএসটি ২.০-র প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত কর ধাপের সরলীকরণ। এই প্রসঙ্গে পপকর্নে তিনটি হারে জিএসটির প্রসঙ্গ তুলে খোঁচা দিয়েছেন তিনি। জিএসটি কাঠামোয় জটিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা তো বটেই, সরকারি কর্মীদের উপরেও বোঝা বেড়েছে। হারের বাহুল্যের জন্য জিএসটি ফাঁকি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এবার এই ফাঁকির পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ১ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় তা দ্বিগুণ।