


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আসন সংখ্যা বজায় রেখে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ চালু রাখতে গেলে অধ্যক্ষ সহ কমপক্ষে ৪১ জন শিক্ষক-চিকিৎসক থাকতেই হবে। এ বছর এই নিয়ম না মানলেই আসন কমিয়ে দেওয়া হবে। হোমিওপ্যাথির শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিওপ্যাথির (এনসিএইচ) হোমিওপ্যাথিক এডুকেশন বোর্ডের সভাপতি ডাঃ রজত চট্টোপাধ্যায় এই কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রত্যেক হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে স্নাতকস্তরে কমপক্ষে ৪১ জন এবং স্নাতকোত্তরে প্রতি ৬টি আসন পিছু ৩ জন করে শিক্ষক-চিকিৎসক (১ জন করে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং লেকচারার) থাকতেই হবে। না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসন বাদ যাবে।’
সূত্রের খবর, উদ্বেগের বিষয় হল, রাজ্যের চারটি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ন্যূনতম ৪১ জন দূর-অস্ত, মেরেকেটে ২৫ জন শিক্ষক- চিকিৎসকও নেই। গত বছর এই কারণে চার সরকারি মেডিকেল কলেজের অন্যতম মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের আসন কমে যায়। প্রায় ৫০ শতাংশ আসন কমে তিনটি বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজেরও। আর তিনটি প্রাইভেট হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রী ভর্তিই বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এদিকে ‘নিট’ বা সর্বভারতীয় স্নাতকোত্তর পরীক্ষা ছাড়াই ছাত্রছাত্রী ভর্তি করার অভিযোগ উঠেছিল দেশের বেশ কিছু হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। এজন্য মহারাষ্ট্রের ১৩টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজকে সওয়া ৬ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি কলেজকে ৫০ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয়। একটি কলেজকে জরিমানা করা হয়েছে ২৫ লক্ষ টাকা।
দেশের সব হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষককে শীঘ্রই ইউনিক আইডি দেওয়া হবে বলে এনসিএইচ সূত্রে খবর। ৩ হাজার ইউনিক আইডি ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে। কলেজে শিক্ষক-চিকিৎসকের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ হাজিরা থাকলে তবেই মিলবে এই আইডি। আর আইডি না থাকলে তাঁকে এনসিএইচ নথিভুক্ত শিক্ষক হিসেবে গণ্য করা হবে না। পরিদর্শনের সময় তাঁদের হাজির করা যাবে না অ্যাসেসরদের সামনেও।