


রাঁচি, ২৯ অক্টোবর: গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু। নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে তরুণীর পরিবার। পণের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে তাঁদের মেয়েকে মেরেছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলা খরসওয়াঁ জেলায়।
জানা গিয়েছে, পিঙ্কি মাহাতোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মনীশ শর্মার। কয়েক মাস আগে তাঁরা বিয়ে করেন। থাকতেন একটি ফ্ল্যাটে। পরিবারের দাবি, বিয়ের পরেই পণের জন্য নির্যাতন চলত পিঙ্কির উপরে। এর মধ্যে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তার পরেও চলতে থাকে অত্যাচার। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে পিঙ্কির অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে যায়। তাঁকে প্রথমে জামশেদপুরের এমজিএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পাঠানো হয় রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স-এ। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় গৃহবধূর। এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হয় বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিঙ্কির বাড়ির সদস্যরা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। প্রাথমিক তদন্তের পর মৃতার স্বামী, শ্বশুর শ্যাম শর্মা, শাশুড়ি পুনম শর্মা এবং দেওর সতীশ শর্মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।