


বেলগ্রেড: পুরুষদের সিঙ্গলসে সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক তিনি। মুকুটে ঝলমল করছে ২৪টি মহার্ঘ খেতাব। গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফির নিরিখে তাঁর পিছনে রাফায়েল নাদাল (২২) ও রজার ফেডেরার (২০)। তবুও আধুনিক টেনিসে সেরা তিন খেলোয়াড়ের প্রসঙ্গ উঠলে সবার শেষে উচ্চারিত হয় জকোভিচের নাম। আর তা নিয়েই যত অভিমান সার্বিয়ান মহাতারকার। এক সাক্ষাৎকারে জোকার বলেন, ‘এত সাফল্যের পরেও আমি তৃতীয় সন্তান হয়ে রইলাম! এখন অবশ্য তা আমার গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। তবু কখনও কখনও কষ্ট লাগে।’
জকোভিচ যখন টেনিস সার্কিটে এসেছেন তখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ফেডেক্স ও রাফা। উইম্বলডনে একটা সময় একচেটিয়া রাজ করেছেন সুইস মহাতারকা। আর ফরাসি ওপেনের অবিসংবাদী সম্রাট রাফা। তাঁদের কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলেই উত্তরণ জকোভিচের। ক্রমে ছাপিয়ে গিয়েছেন দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে। তবু কেন মর্যাদার মাপকাঠিতে তাঁকে শীর্ষে বসানো হবে না? অভিমানী কণ্ঠে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। সার্বিয়ান তারকা বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে কোনও কথা বলতে চাই না। তবে শ্রেষ্ঠত্বের বিচার হওয়া উচিত সাফল্য দিয়ে। সেক্ষেত্রে আমি সবার থেকে এগিয়ে। অথচ বাস্তবে প্রাপ্য মর্যাদা আমাকে দেওয়া হয় না।’
টেনিস কোর্টের বাইরে নাদালের সঙ্গে সম্পর্ক বেশ মধুর জোকারের। তবে ফেডেরারের সঙ্গে একটা দূরত্ব রয়েই গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে জকোভিচের মন্তব্য, ‘কোর্টের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কের বড় অন্তরায়। তবে আমি দু’জনকেই সম্মান করি। খেলোয়াড় হিসেবে ওরা শুধু বড় মাপেরই নয়, দুরন্ত প্রতিভাবানও ছিল। সাফল্যও অনেক। কিন্তু আমার কৃতিত্ব ওদের থেকেও বেশি। তবু নাম আসে তিন নম্বরে। এটা আমার কাছে বড়ই হতাশার।’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি ফরাসি ওপেনের সেমি-ফাইনালে জানিক সিনারের কাছে হেরে বিদায় নেন জকোভিচ। সেই দুঃখ ভুলতে চান উইম্বলডন জিতে। সামনে রয়েছে ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের হাতছানি।